দেশ ও জাতির কল্যানে

আযানে রয়েছে বিস্ময়কর গণিত!! ১.আযান এর প্রথম শব্দ আল্লাহ এবং শেষ ও হইছে আল্লাহ শব্দ দিয়ে।সুতরাং আল্লাহ ই শুরু,এবং আল্লাহ ই শেষ। ২.আযান এ সর্...

আযানে রয়েছে বিস্ময়কর গণিত!!


১.আযান এর প্রথম শব্দ আল্লাহ এবং শেষ ও হইছে আল্লাহ শব্দ দিয়ে।সুতরাং আল্লাহ ই শুরু,এবং আল্লাহ ই শেষ।

২.আযান এ সর্বমোট শব্দ ৫০ টি

এবং মিরাজ এর দিনে,আল্লাহ হজরত মুহাম্মদ (সা) কে ৫০ ওয়াক্ত ফরজ সালাত দিয়েছিলেন।

পরে তা ৫ ওয়াক্ত করা হয়।এবং সহিহ হাদীস মোতাবেক,কেও দৈনিক ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করলে ৫০ ওয়াক্ত সালাত এর সাওয়াব পান।

৩.আযান শব্দটি পবিত্র কুরআন এ বলা আছে ৫ বার এবং আমরা দৈনিক ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করি।

৪.আযান এ মোট ১২টি লাইন আছে।

এবং আমাদের উপর ১২ মাস নামায আদায় করা ফরজ।

৫.আযান এর মধ্যে সর্বমোট ১৭টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে।

আর আমাদের প্রতিদিন এর ফরজ সালাত হলো ১৭ রাকাত।

(ফজর - ২+জোহর - ৪+আসর - ৪+মাগরিব - ৩+এশা -৪ =১৭ রাকাত)

৬.আযান এর মধ্যে সবচেয়ে ব্যাবহৃত শব্দ হচ্ছে আল্লাহ।

আল্লাহ্ শব্দের আলিফ অক্ষরটি সম্পূর্ণ আযান এ রয়েছে ৪৭ বার, লাম অক্ষরটি ৪৫, হা অক্ষরটি ২০ বার।

সুতরাং, ৪৭+৪৫+২০=১১২

আর,পবিত্র কুরআন এর ১১২ নং সূরা তে আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন।

  স্মৃতিময় ফেলানী হত্যা দিবস আজ — ৭ জানুয়ারি ২০১১ বাংলাদেশের সীমান্ত ইতিহাসের এক বেদনাময় অধ্যায়ের নাম ফেলানী খাতুন । আজ ৭ জানুয়ারি, স্...

 স্মৃতিময় ফেলানী হত্যা দিবস আজ — ৭ জানুয়ারি ২০১১

বাংলাদেশের সীমান্ত ইতিহাসের এক বেদনাময় অধ্যায়ের নাম ফেলানী খাতুন। আজ ৭ জানুয়ারি, স্মরণ করা হচ্ছে সেই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড, যা গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল ২০১১ সালে।

সেদিন সকালে ঠান্ডা হাওয়া বইছিল কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে। ভারতের দিকে বিয়ে করতে যাওয়ার পথে মাত্র ১৫ বছরের কিশোরী ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। ঘটনাটি ঘটে বাংলাদেশ-ভারত ৯৪৭ নম্বর সীমান্ত খুঁটির কাছে। সীমান্তের কাঁটাতারে ঝুলে থাকা ফেলানীর নিথর দেহের সেই দৃশ্যটি পরিণত হয়েছিল মানবতার বিবেক নাড়া দেওয়া এক প্রতীকে।

ফেলানীর লাশ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে কাঁটাতারে ঝুলে ছিল। স্থানীয়দের আহাজারি, সীমান্তে জড়ো হওয়া জনতার কান্না—সবই মিলিয়ে সেদিন সীমান্তপারের মানুষ যেন অবিশ্বাসের এক দৃশ্য দেখেছিল। পরে বিএসএফ সদস্যরা লাশ নামিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়।

এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো, গণমাধ্যম, সাধারণ মানুষ—সবাই একবাক্যে দাবি তোলে, “ফেলানীর জন্য বিচার চাই।” ২০১১ সালের এই হত্যাকাণ্ড সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকারের বিষয়ে নতুন করে প্রশ্ন তোলে।

বছর ঘুরে আজও ৭ জানুয়ারি এলে মানুষ মনে করে সেই নিরীহ কিশোরীকে, যার একমাত্র “অপরাধ” ছিল নিজ দেশে ফিরে আসার চেষ্টায় থাকা। প্রতি বছর এই দিনটিতে কুড়িগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পালন করা হয় “ফেলানী হত্যা দিবস”, নীরব সমাবেশ ও মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে জানানো হয় শ্রদ্ধা।

আজ ফেলানী নেই, কিন্তু তার মৃত্যু আমাদের মনে করিয়ে দেয়—মানবতার কোনো সীমানা নেই। সীমান্তের কাঁটাতার ছিন্ন করেও তার স্মৃতি অমলিন, তার প্রশ্ন আজও বেজে ওঠে—
“মানবতার বিচার কবে হবে?”

 প্রকৃতির উপহার PRIVACY & CONTENT POLICY · The app doesn't collect any user personal data as, for example, name, picture or location...

 প্রকৃতির উপহার

PRIVACY & CONTENT POLICY

· The app doesn't collect any user personal data as, for example, name, picture or location.

· Consequently, the app doesn't share any personal information with any other entity or third parties.

· Images and Videos entered by the user are sent to the app server in order to be retrieved later by the user himself, and so that the app can offer the functionalities according to its description.

· We don't allow third-party companies to serve ads and collect certain anonymous information when you visit our app. These companies may use anonymous information such as your Google Advertising ID, your device type and version, browsing activity, location and other technical data relating to your device, in order to provide advertisements.

2023

Brigadier General Barak Hiram
2023

আমি বা আমরা কখনো জীবনের মানেটাই জানতে চাইনি, আর এত ব্যস্ত থাকি যে জীবন কী, তা বোঝার চেষ্টাই করিনি।জীবন হলো একটি যাত্রা যার শুরু হয় একটি ছোট্...

জীবন মানে কায়দা করে বেঁচে থাকা

আমি বা আমরা কখনো জীবনের মানেটাই জানতে চাইনি, আর এত ব্যস্ত থাকি যে জীবন কী, তা বোঝার চেষ্টাই করিনি।জীবন হলো একটি যাত্রা যার শুরু হয় একটি ছোট্ট পদক্ষেপ এর মধ্য দিয়ে। তারপর উথান পতন, হাসি কান্না, সফলতা ব্যর্থতা। আর শেষ হয় এক চিরন্তন যাত্রার শুরুর মধ্যে দিয়ে।

জীবন মানে কি যুদ্ধ!

যেদিন থেকে আমি, আপনি পৃথিবীর আলো আঁধার অনুভব করতে শিখেছেন, ঠিক সেই দিন থেকেই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য লড়াই শুরু করে দিয়েছেন।

জীবনকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লড়াই করেই বেঁচে থাকতে হয়।

যারা এক আল্লাহ্‌ তে বিশ্বাস করে তাদের কাছে জীবন হচ্ছে এই ইহকালের চলার একটা মৌলিক সত্ত্বা- যার কোন আকৃতি আছে। যা অনুভব করা জায়। এটা বিশ্বাস । জীবন শেষ হয়ে গেলেই- একটা মানুষ কিংবা অন্য কোন জন্তু- বা যার সত্ত্বা আছে তারা নির্জীব হয়ে পরে। এটা আল্লাহ্‌ র তৈরি একটা বেবস্থা মাত্র। যা আল্লাহ্‌ দিয়েছেন- আবার নিয়েও যাবেন।

যারা হিন্দু বা অন্য ধর্মে বিশ্বাস করে - তাদের কাছে অর্থ একি হলেও ব্যাখ্যা আবার ভিন্ন।

  • লেখকের কাছে লেখাই তো জীবনের মানে
  • আর্টিস্ট এর কাছে রং আর তুলিই তো জীবন
  • ধর্মীয় চর্চাই হয়তো জীবন কারো কাছে
  • টিন এইজ কারো কাছে খ্যাতির বিড়ম্বনাই সব
  • নতুন কিছু শিখতে থাকা হয়তো কারো কাছে জীবন
  • ডিপ্রেশনে ভোগা কারো কাছে জীবনের মানে হয়তো অর্থহীন
  • কারো কাছে জীবন এর সংজ্ঞা ‘W’ এর মতো।কখনো উপরে উঠবে কখনো নিচে নামবে
  • কার জুতো পায়ে দিয়ে এ ধরিত্রী তে জীবনের মানে খুঁজছেন তাই মুখ্য।

জীবন মানে যেন বিশাল জলরাশিতে ভাসমান এক তরী। হেলে-দুলে চলতে থাকে। চলতে চলতে দেখা হয় বিশাল কোন ঢেউয়ের সাথে, তার সাথে যেন তার একারই যুদ্ধ!

আবার জীবন মানে যেন একটা আঁকাবাঁকা নদী, বয়ে চলে তার নিজ ছন্দে। পাহাড় পেড়িয়ে, জনপদ পেড়িয়ে যেন তার অবিরাম ছুটে চলা। চলার পথে ডিঙিয়ে যায় সবকিছু!

আবার জীবন মানে যেন একটা জীবন্ত বৃক্ষ। যে ত্যাগ করতে শিখায়। দোঁরের কাছে দাড়িয়ে সে নিশ্চুপ ছায়া দিয়ে যায়, বিলিয়ে যায় একটু শান্তি!

জীবন মানে আসলে কি!

জীবন মানে কায়দা করে বেঁচে থাকা, কখনো ত্যাগ, কখনো একটু ভালোবাসা, কখনো একটা ঝড়ো হাওয়া, আবার বহু কষ্টে সেটাকে কাটিয়ে ওঠা, তারপরে একটা সাফল্যের দেখা, সবশেষে সেই স্রষ্টার কাছে ফিরে আসা। তারজন্যেই তো সবকিছু!

মুসলিম বণিকদের কাছে ছিল প্রচুর সম্পদ। এই সম্পদই তাদের জন্য কাল হয়ে দাড়ালো। তিয়ান শেনং এর বাহিনী সম্পদের লোভে বণিকপাড়ায় নির্বিচারে গণহত্যা চা...

Cultural terrorist group


মুসলিম বণিকদের কাছে ছিল প্রচুর সম্পদ। এই সম্পদই তাদের জন্য কাল হয়ে দাড়ালো। তিয়ান শেনং এর বাহিনী সম্পদের লোভে বণিকপাড়ায় নির্বিচারে গণহত্যা চালালো। এক দিনে শহীদ হলেন হাজারে হাজারে মুসলিম ব্যাবসায়ী।






ফ্যাক্টঃ সন্দ্বীপ কুমিরা_গুপ্তছড়া_রুটে_হোভারক্রাফট_ও_বয়া আইচেড়ে ভাই কলির কাল, ছাগল ছাডে বাঘের গাল। আছাড় দিলে কিলাই গুঁতাই হোতানের মানুষের অভ...


ফ্যাক্টঃ সন্দ্বীপ কুমিরা_গুপ্তছড়া_রুটে_হোভারক্রাফট_ও_বয়া

আইচেড়ে ভাই কলির কাল,
ছাগল ছাডে বাঘের গাল।

আছাড় দিলে কিলাই গুঁতাই হোতানের মানুষের অভাব নাই।
তার আগ পর্যন্ত বলির দোষ।

যে একটা কিল ও দিতে পারে নাই অথচ সে ও চিল্লায় বলে, ভাইরে এমন কিল দিছি না দি মু দি রক্ত বাইর করি ছাড়ি দিছি।

এরে বজ্জাতির একখান সীমা আছে। আর কতো কি দেখাইবা? চাইও আবার অতিউৎসাহী হই "#নাড়_কাটতো_যাই_ননু_কাডি_দিও_না"

আপনাদের কাণ্ডকীর্তি দেখে একটা গল্প মনে পড়ে গেলো....মন দিয়ে একটু খেয়াল করিয়েন।

দর্জি, কাঁচি দিয়ে কাপড় কেটে সুঁই, সুতো ব্যবহার করে বস্ত্র সেলাই করেন। অপরদিকে ডাক্তার, কাঁচি দিয়ে শরীর কেটে সুঁই, সুতো ব্যবহার করে ক্ষতস্থান সেলাই করেন। দুটোই কিন্তু কাটাছেঁড়া ও সেলাইয়ের কাজ। এবার বলুন তো, ডাক্তারের কাজ দর্জি করতে পারবে অথবা দর্জির কাজ ডাক্তার? মোটেও না। যে যার জায়গায় যোগ্য ও অভিজ্ঞ। সুতরাং দর্জি কে দিয়ে অস্ত্রোপচার অমূলক ও অবান্তর। দয়া করে এবার থামুন।

ফেবুর ওয়ালে মনগড়া তথ্য উপস্থাপন করা হে মানুষ, আপনার জংধরা বিবেকের সবকটি বোতাম খুলে দেখে নিন বাস্তবতা ও অতীত কর্মযজ্ঞ এবং মহান সংসদে মাননীয় সংসদ সদস্যের উপস্থাপিত দাবী। শুনে নিন মাননীয় নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য, জেনে নিন শেখ হাসিনার পরিকল্পনা। নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সদস্য আপনার এলাকার এমপি, সেটা কি জানেন? কখন থেকে হোভারক্রাফট নিয়ে পরিকল্পনা চলছে, তা কি জানেন? এসবের কিচ্ছুই জানেন না। আগে জানুন, তারপর না হয় কৃতিত্বের ভাগিদার হবার জন্য চিল্লায় বলবেন, ঠিক কিনা বলুন?জানতে গিয়ে আপনি গুনাহগার অথবা আপনাকে অতিরিক্ত ট্যাক্স পেমেন্ট করতে হবে না। সুতরাং অসুবিধা কোথায়? কষ্ট করে জেনে নিন।

এরপর ও কি বলবেন, সদ্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলাতে হোভারক্রাফট সহ বয়া সমস্যার সমাধান আপনাদের হাত ধরে এসেছে?

#বিঃদ্রঃ নিশ্চয়ই এতোক্ষণে আঞ্চলিক ভাষায় আমার আজকের স্ট্যাটাস আপনার পড়া শেষ। গালি দিবেন তো, দেন আপত্তি নেই। কিন্তু বাস্তবতার নিরিখে, তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে উত্থাপিত অভিযোগ আশা করি বিবেচনা করবেন। এরপর না হয় রেগেমেগে এলোপাতাড়ি গালির বানের বন্যায় আমার ইজ্জত টা ধুয়ে দিয়েন। বিশ্বাস রাখতে পারেন আপনার প্রলাপ বকায় মন খারাপ করবো না। কারণ আমি আপনাদেরকে চিনি জানি, আপনারাও আমাকে চেনেন। শুধু একটাই চাওয়া, বিষয়টা গভীরে গিয়ে ভাববেন।

শুভার্থী
কাজী মনজু
০১/০২/২০২০

মানবদেহে প্রস্রাব তৈরি হয় বৃক্কে (kidneys)। সেখান থেকে এটি জমা হয় মূত্রাশয় বা মূত্রস্থলীতে (bladder)। সেখান থেকে একটি সরু নালী - মূত্রনা...



মানবদেহে প্রস্রাব তৈরি হয় বৃক্কে (kidneys)। সেখান থেকে এটি জমা হয় মূত্রাশয় বা মূত্রস্থলীতে (bladder)। সেখান থেকে একটি সরু নালী - মূত্রনালী (urethra) দিয়ে দেহ থেকে বার হয়।

দাড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের কি কি ক্ষতি হয় জানলে জীবনেও এই কাজটি করবেন না!!

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা ক্ষতিকর কেন? বিজ্ঞান কি বলে?

👉 চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষনায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয় আসুন তা জেনে নেই।

  1. দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোনে চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারেনা। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। ফলে অস্থিরতা বাড়ে, রক্ত চাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে।
  2. দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলি সরু ও লম্বা হয়ে ঝুলতে থাকে ফলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে সহজেই ওইসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।
  3. ৩- দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কিডনিতে অতি সহজে পাথর সৃ্ষ্টি হয়।
  4. দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ কমতে থাকে।
  5. যারা নিয়মিত দাড়িয়ে প্রস্রাব করেন তাদের অবশ্যই শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনী রোগ হবেই।

৬- দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যৌনশক্তি কমতে থাকে এবং পুরুষাঙ্গ নরম হয়ে যায় এবং সহজে সোজা ও শক্ত হতে চায় না। উত্তেজনার সময় যদিও শক্ত হয় কিছুক্ষন পর কিছু বের না হতেই তা আবার ছোট ও নরম হয়ে যায়।

৭- দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পরিবেশ দূষিত হয়। সেই দূষিত বায়ু আমাদের দেহে প্রবেশ করে বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি করে।

৮- দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ছিটে দেহে ও কাপড়ে লাগে ফলে তা দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে।
স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বলে উপরোক্ত দৈহিক সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের অতি অবশ্যই বসে প্রস্রাব করা উচিত।

অথচ সর্বশ্রেষ্ঠ স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) চৌদ্দশত বছর আগেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন এবং বসে প্রস্রাব করার আদেশ দিয়েছেন।

“ওমর (রাযিঃ) বলেন- নবী (সাঃ) কোন একদিন আমাকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখে বললেন, হে ওমর তুমি কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করবে না। এরপর আমি আর কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করিনি” ||
[তিরমীযি হাদীস/১২]

টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন , মা-মনি , তোমার কি বিয়ে হয়েছে ? " মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল" __ হ্যাঁ স্যার...


টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন,
মা-মনি, তোমার কি বিয়ে হয়েছে?
"মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল"
__হ্যাঁ স্যার। আমার একটা দুই বছরের ছেলে
আছে।
.
টিচার চট করে দাঁড়ালেন। খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন, "আমরা আজ আমাদেরই একজনের প্রিয় মানুষদের নাম জানবো। এই কথা বলেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললেন,
.
__মা আজকে তুমিই টিচার। এই নাও চক, ডাষ্টার।
যাও তোমার প্রিয় দশ জন মানুষের নাম লেখো। মেয়েটা বোর্ডে গিয়ে দশ জন মানুষের নাম লেখলো। টিচার বললেন,
.
এরা কারা? তাদের পরিচয় ডান পাশে লেখো। মেয়েটা এদের পরিচয় লেখলো।
.
সংসারের সবার নামের পাশে দুই একজন বন্ধু, প্রতিবেশীর নামও আছে। টিচার এবার বললেন,
.
লিষ্ট থেকে পাঁচ জনকে মুছে দাও। মেয়েটা তার প্রতিবেশী, আর ক্লাশমেটদের নাম মুছে দিলো।
টিচার একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আরো তিন জনের নাম মুছো। মেয়েটা এবার একটু ভাবনায় পড়লো। ক্লাশের অন্য ষ্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টাকে। খুব মনযোগ
দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ
করছে। মেয়েটার হাত কাঁপছে।
.
সে ধীরে ধীরে তার বেষ্ট ফ্রেন্ডের নাম মুছলো।
এবং বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো। এখন মেয়েটা রিতিমত
কাঁদছে।
.
যে মজা দিয়ে ক্লাশটা শুরু হয়েছিলো, সেই মজা আর
নেই। ক্লাশের অন্যদের মাঝেও টানটান উত্তেজন।
লিষ্টে আর বাকী আছে দুইজন। মেয়েটার হাজবেন্ড আর
সন্তান। টিচার এবার বললেন, আরো একজনের নাম মুছো।
কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো। কারো নাম মুছতে সে
আর পারছেনা। টিচার বললেন
.
মা গো, এইটা একটা খেলা।
সাইকোলজিক্যাল খেলা। জাষ্ট প্রিয় মানুষদের নাম মুছে দিতে
বলেছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি!!!
.
মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে ছেলের নামটা মুছে দিলো।
টিচার এবার মেয়েটার কাছে গেলেন, পকেট থেকে একটা
গিফ্ট বের করে বললেন– তোমার মনের উপর দিয়ে যে
ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত। আর এই গিফ্ট বক্সে
দশটা গিফ্ট আছে। তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য।
.
এবার বলো, কেন তুমি অন্য নামগুলো মুছলে। মেয়েটা
বলল- প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম মুছে দিলাম।
.
কারন তবু আমার কাছে বেষ্ট ফ্রেন্ড আর পরিবারের সবাই
রইলো। পরে যখন আরো তিন জনের নাম মুছতে
বললেন, তখন বেষ্ট ফ্রেন্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে
দিলাম। ভাবলাম, বাবা মা তো আর চিরদিন থাকবে না। আর বেষ্ট
ফ্রেন্ড না থাকলে কি হয়েছে?
.
আমার কাছে আমার পুত্র আর তার বাবাই বেষ্ট ফ্রেন্ড। কিন্তু
সবার শেষে যখন এই দুইজন থেকে একজনকে মুছতে
বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না।
.
পরে ভেবে দেখলাম, ছেলেতো বড় হয়ে একদিন
আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু
ছেলের বাবাতো কোন দিনও আমাকে ছেড়ে যাবে না।

সংগৃহীত।

ইহুদি মূলত একটি জাতি বা ধর্মীয় জনগোষ্ঠী যারা বনী - ইস্রায়েল জাতির অন্তর্গত এবং জাতিগতভাবে ইহুদি ধর্মের অনুসারী। ইব্রাহীমের...

ইহুদি মূলত একটি জাতি বা ধর্মীয় জনগোষ্ঠী যারা বনী-ইস্রায়েল জাতির অন্তর্গত এবং জাতিগতভাবে ইহুদি ধর্মের অনুসারী। ইব্রাহীমের পুত্র ইসহাক, তার পুত্র ইয়াকুব ওরফে ইসরাইল (ইস্রাঈল বা ইস্রায়েল) এর বংশধরগণ বনী ইসরাঈল নামে পরিচিত। ইয়াকুবের বারো পুত্রের নামে বনী-ইস্রায়েলের বারোটি গোষ্ঠীর জন্ম হয় যার মধ্যে ইয়াহুদা' ছেলেমেয়েরা ইহুদি নামে পরিচিত।

যদিও ধর্মের প্রবর্তক মুসা কিন্তু ইহুদিরা বলেন ধর্মের প্রবর্তক আব্রাহাম ইহুদি ধর্মের বয়স প্রায় ৪০০০ বছর। ইহুদীদের ধর্মযাজককেরাব্বি' (গুরু) বলা হয়।

কেন ইহুদিরা এত সফল

কেন ইহুদিরা এত সফল?

ইহুদি ধর্মের মূল শিক্ষা প্রায় সবসময়ই একেশ্বরবাদকে করে আবর্তিত হয়েছে। ইহুদিদের মধ্যে অনেক শ্রেণী-উপশ্রেণী থাকলেও এই একটি বিষয়ে কারও মধ্যে দ্বিমত নেই। সবাই এক বাক্যে কেবল এক ঈশ্বরকে মেনে নেয়। আমাদের বাংলাদেশে একটিও ইহুদি নেই। কিছু খ্রিষ্টান আছেন বটে, তবে সেটাও সংখ্যায় খুবই কম। কাজেই আমাদেরকে যখন কেউ বলে, "ইহুদি খ্রিষ্টানরা ষড়যন্ত্র করে আমাদের মুসলমানদের দাবিয়ে রেখেছে," সেই সাথে ওরা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে বাস্তবেই বিশ্বের নেতৃত্ব এখন ইহুদি-খ্রিষ্টানদের হাতেই।

এবং বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে সাত বিলিয়ন মানুষের পৃথিবীতে মাত্র চৌদ্দ মিলিয়ন ইহুদি, বিশ্বের আর অন্যান্য যেকোন জাতির তুলনায় যারা সংখ্যায় অতি নগন্য, অথচ তারাই এই দৌড়ে সবার চেয়ে এগিয়ে আছে। তারপরে আমরা দেখি আমাদের অতীতের ইতিহাস। এর ফলে কিছু চিন্তাভাবনা না করেই ধরে নেই, "হুজুর যা বলেছেন তাই সত্য, আমাদের এই দুরবস্থার পেছনে দায়ী শুধু ইহুদি নাসারা ষড়যন্ত্র!"

 ছোটবেলায় যখন করার কিছুই ছিল না তখন স্টারপ্লাসে একতা কাপুরের সিরিয়াল দেখতাম। তখন দেখতাম বিরানি খান্দান হোক কিংবা আগারওয়াল খান্দান কিংবা বাসু খান্দান - সব খান্দানকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্রে কেউ না কেউ লিপ্ত থাকতো। আমাদেরও ভাবখানা এমনই, যেন ইহুদি নাসারারা আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে করতেই নিজেদের দিন রাত কাটিয়ে দেয়। ওদের আর কোনই কাজ নেই। 

অথচ বাস্তবতা অতি সহজ সরল। তুলে ধরছি। যদি ভুল পান, তাহলে প্রমান করেন। যদিও আমি নিশ্চিত কোন ভুল পাবেন না। কারন আমি আউল ফাউল অসত্য বিষয় নিয়ে লেখালেখি করতে পছন্দ করি না।

প্রথমত, ইহুদিদের এই চরম সাফল্যের পেছনে তিনটি প্রধান কারন আছে। প্রথমটি, শিক্ষা। শিক্ষার ব্যাপারে ওরা আপোষহীন। তিনবছর বয়স থেকেই একটা ইহুদি শিশুকে ওদের আলিফ বা তা সা শেখানো শুরু হয়ে যায়। শেখানো হয় ইহুদি হালাকা (দ্বীনি শিক্ষা), ইহুদি ধর্মের আইন কানুন, ধর্মীয় নীতি ইত্যাদি। ওদের ধর্ম সম্পর্কে জানতে গেলে বিস্মিত হয়ে যাবেন ইসলামের সাথে মিল দেখে। একদিন ওদের কিছু আচার আচরণ রীতি নীতি নিয়ে আলাদা পোস্ট দিব। আপাতত ওদের সাফল্যের রহস্য ফাঁস করা যাক। তাওদের প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরুই হয় ধর্মীয় শিক্ষার মধ্য দিয়ে। একই সাথে চলে সাধারণ শিক্ষা। যে কারনে আমরা দেখতে পাই, জাতিগতভাবে ইহুদিদের একষট্টি ভাগেরও বেশি ছেলেমেয়ে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত। বিশ্বের অন্যান্য জাতির মধ্যে যে সংখ্যা মাত্র চৌদ্দভাগ বা তারও কম। উচ্চশিক্ষার (পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন) হারের দিক দিয়ে বিশ্বের সব জাতির তুলনায় মুসলিম এবং হিন্দুরাই সবচেয়ে নিচে অবস্থান করছে। এখন আপনারাই বলেন, এই জাতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করার প্রয়োজন আছে? এই ধরণের উক্তি করা, এই ধরণের উক্তি বিশ্বাস করাটাইতো প্রমান করে আমাদের শিক্ষাদীক্ষার অবস্থা কতটা করুন। 

যাই হোক, ইহুদিদের "শিক্ষা" ইহুদিদের ধর্মেরই একটি অঙ্গ। ওদের শরিয়ার নিয়ম হচ্ছে, একজন পিতাকে অবশ্যই তাঁর পুত্রকে এমনভাবে শিক্ষিত করতে হবে যেন সে নিজের থাকা খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারে। একে ওরা "ট্রেড" বলে, যার মানে "চাকরি/কাজ।" সেটা ডাক্তার বানাতে পারেন, বিজ্ঞানী বানাতে পারেন, ব্যবসায়ীও বানাতে পারেন। এটিই ওদের সফলতার দ্বিতীয় প্রধান কারন। যে যার জীবিকার ব্যপারে শৈশব থেকেই শিক্ষিত হয়ে গড়ে উঠে। 

এখন আমরা আমাদের দিকে একটু তাকাই। যেহেতু আমাদের তিন ধর্মেরই আল্লাহ/ঈশ্বর/গড এক, কাজেই নির্দেশও একই হবার কথা, নাকি? তা কুরআনের প্রথম নাযিলকৃত বাণীর মধ্য দিয়ে আল্লাহ সেই নির্দেশনাই দিয়েছেন। "পড়!" ভাল করে লক্ষ্য করুন, প্রথম নাযিলকৃত আয়াতগুলোর মধ্যে আল্লাহ দুইবার পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একটি, যা আল্লাহ শিখাবেন, মানে কুরআনের শিক্ষা। এবং দ্বিতীয়টি কলমের মাধ্যমে যে শিক্ষা প্রচার হয়েছে, মানে সাধারণ বিদ্যা। অতি সহজ সরল নির্দেশ। 

মুসলমান হয়ে জন্মালে অবশ্যই পড়ালেখা করতে হবে! কিন্তু না, তুই তারপরেও তোর প্রভুর নির্দেশ অমান্য করে পড়ালেখা বাদ দিয়ে মূর্খের কথা শুনে মেনে নিজেতো ডুবছি, সাথে গোটা জাতিকেও ডুবাচ্ছি। আমাদের মূর্খতা কোন পর্যায়ে গেছে সেটা সামান্য মুখ খুললেই বেরিয়ে আসে। "নীল আর্মস্ট্রং চাঁদে গিয়ে আজান শুনেছিলেন" "ঈমানদারদের করোনা হবেনা" "মাস্ক পরা লাগবে না" "করোনা টিকা নিলে ঈমান ধ্বংস হয়ে যাবে" ইত্যাদি ইত্যাদি যাবতীয় কথাবার্তা আমাদের তথাকথিত "আলেমদের" মুখ থেকেই বেরিয়েছে। 

আমাদের ধ্বংসের পেছনে ইহুদি নাসারা ষড়যন্ত্রের কিছু নেই। ওরা ওদের প্রভুর নির্দেশ মানছে, আমরা মানছি না, এই যা। ভাল করে লক্ষ্য করুন, মিথ্যা না বলা, ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা, বর্ণবাদবিরোধী কার্যক্রম, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ ইত্যাদি ইত্যাদি সবই কুরআনের নির্দেশ। একই নির্দেশ তাওরাতেও আছে, বাইবেলেও আছে। এখন বিশ্বের দিকে চোখ ফেরান। কারা মানছে আর কারা মানছে না? "আমি মুসলিম" বললেই আমি মুসলমান হয়ে গেলাম? অন্যের দিকে দোষ চাপানোর আগে চিন্তা ভাবনা করতে থাকেন।

এখন আসা যাক ওদের সফলতার তৃতীয় শেষ কারনে। সেটি হচ্ছে ঐক্য, আর বিজনেসের ভাষায় বলতে হলে নেটওয়ার্কিং। দুই হাজার বছরের বেশি সময় ধরে ওদের কোন নিজস্ব দেশ নেই, গোটা বিশ্বেই ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেছে ওরা। তারপরেও এক ইহুদি আরেক ইহুদিকে ভাইয়ের মতন ভালবাসে। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রেখেছে বছরের পর বছর। শতাব্দীর পর শতাব্দী। ওদের নেটওয়ার্ক এতটাই শক্তিশালী যে ইউরোপের ইহুদীর সাথে যোগাযোগ আছে আমেরিকান ইহুদীর, এবং সাউথ আমেরিকান ইহুদীর, এবং আরব ইহুদীর। এইটা ফেসবুক পূর্ববর্তী যুগের কথা। যখন যোগাযোগের মাধ্যম ছিল চিঠিপত্র। ওরা ঠিকই যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করেনি। ব্যবসায়িক প্রয়োজনে কোন ইহুদি কোন নতুন দেশে গেলে ঠিকই খুঁজে অন্যান্য ইহুদিদের বের করে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থাপন করে। ইহুদিরাই প্রথম জাতি যারা গ্লোবাল নেটওয়ার্কিং সৃষ্টি করেছে।

এখন দয়া করে একটু নিজেদের আল্লাহ এবং নবীর নির্দেশগুলির কথা স্মরণ করুন। বদরের এবং ওহুদের যুদ্ধে আল্লাহ হাতে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন একতাবদ্ধ থাকলে কি হয় এবং বিচ্ছিন্ন হলে কি হয়। তারপরেও আমাদের আক্কেল আসেনাই, আক্কেল এখনও আসেনা। ভবিষ্যতেও আসবে না।

ইহুদি ধর্মানুযায়ী, এক ইহুদি আরেক ইহুদীর দেখভালের দায়িত্বে নিয়োজিত। যেকারনে পৃথিবীতে একটাও গৃহহীন বা ফকির ইহুদীর দেখা আপনি পাবেন না। ওরা ঠিকই একজন আরেকজনকে টেনে তুলে আনে। শুনেছি নিউইয়র্কে ইহুদিদের যাকাত নাকি এইভাবে দেয়া হয় যে সমস্ত কমিউনিটির যাকাত এক জায়গায় সংগ্রহ করা হয়। যে নিঃস্ব, যার যাকাতের প্রয়োজন হয়, তাঁকে বিরাট অংকের টাকা দিয়ে দেয়া হয়। এর ফলে রাতারাতি সে মিলিওনেয়ার হয়ে যায়, এবং পরের বছরেই সে নিজেই যাকাত দিয়ে অন্যকে উঠিয়ে দেয়। 

মুসলিমদেরও একই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেছেন, রাসূলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন। আমাদের দৌড় "যাকাতের কাপড়" হিসেবে সস্তা ফালতু ত্যানা বিলি করা পর্যন্তই। 

মুসলিমদের মতই ইহুদিদেরও সুদ খাওয়া হারাম। তবে ইহুদিরা সেই নিয়ম শুধু নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছে। এর মানে হচ্ছে, এক ইহুদি আরেক ইহুদিকে ঋণ দিলে সুদ নিতে পারবে না। ওরা কট্টরভাবে এই নিয়ম মেনে চলে। আর আমাদের অবস্থা? হাহাহা। ব্যাংকের কথা নাই বা বললাম। আপনি সুদ ছাড়া ঋণ দেন, আপন আত্মীয়কেই দেন। মেরে দিবে। সততা বলে একটা বস্তু যে আছে, সেটা আমরা জানিই না। আর আমরা দাবি করি সব ইহুদি নাসারা ষড়যন্ত্র

নেটওয়ার্কিং বিষয়ে ইহুদিদের বাস্তব উদাহরণ দেই। হলোকাস্টের পরে আমেরিকার নিউ জার্সিতে আশ্রয় নেয়া একদল ইহুদিকে তাঁদের কমিউনিটির নেতা (রেবাই) ঘোষণা/নির্দেশ দেন প্রতিটা পরিবার যেন আলাদা আলাদা জীবিকা বেছে নেন। ফলে কেউ নাপিত হয়ে গেলেন, কেউ হলেন মুচি, কেউ ডাক্তার, কেউ দোকানদার, কেউ বাবুর্চি। এবং ওরা নিজেরাই নিজেদের ব্যবসায়ে একেকজন কাস্টমার হয়ে গেলেন। একে অন্যের উপর নির্ভরশীল, এবং কেউই অন্য কোথাও যান না। আমি যদি ইহুদি একাউন্ট্যান্ট হই, তবে একাউন্টিং সম্পর্কিত যাবতীয় সমস্যা নিয়ে অন্যান্য ইহুদিরা আমার কাছেই আসবেন, এবং আমি অসুস্থ হলে কেবল ইহুদি ডাক্তারের কাছেই যাব, খেতে হলে কেবল ইহুদি রেস্টুরেন্টেই যাব, এবং চুল কাটতে হলে ইহুদি সেলুনে। সেই সাথে বাইরের কাস্টমারতো আছেই। এর ফলে যা ঘটছে তা হচ্ছে, বাইরের কমিউনিটি থেকে ইহুদিদের কাছে টাকা আসছে ঠিকই, কিন্তু ওদের কমিউনিটি থেকে সেই টাকা সহজে বেরুচ্ছে না। এবং মাত্র কয়েক বছরেই এই কমিউনিটি ধনী হয়ে গেল। একই ঘটনা গোটা বিশ্বজুড়ে যেখানে যেখানে ইহুদি আছে, সব জায়গাতেই ঘটছে। 

আর আমাদের অবস্থা? বাঙালি দোকানে পেঁয়াজের দাম পাউন্ডে দশ পয়সা বেশি, আমরা চলে যাই ইন্ডিয়ান দোকানে। আর পহেলা বৈশাখ বা অন্যান্য যেকোন প্রোগ্রামে স্পন্সর প্রয়োজন হলে এই বাঙালি ব্যবসায়ীদের কাছেই গিয়ে নির্লজ্জের মতন হাত পাতি। ইন্ডিয়ানরা স্বাভাবিকভাবেই আমাদের বৈশাখ টইশাখ বা অন্য কোন অনুষ্ঠানেই পয়সা খরচের আগ্রহ দেখায় না। আর ওরা ওদের বাজার ওদের দোকান ছাড়া করেও না। ফলে আমাদের পয়সা ওদের পকেটে যাচ্ছে ঠিকই, আমাদের কাছে আসছে না। আমাদের কমিউনিটির পয়সা আমাদের মাঝে না রেখে আমরা ইন্ডিয়ান, চাইনিজ, আমেরিকানদের দিয়ে দিচ্ছি। বাঙালি বাদ দিয়ে মুসলিমদের কথা চিন্তা করলেও ঘটনা একই ঘটছে। ইসমাইলি (আগাখানি) কমিউনিটি ছাড়া আর কোন মুসলিমদের মাঝেই এই ঐক্য দেখা যায় না। যে কারনে ইসমাইলিদের সবসময়েই দেখবেন ধনী, পয়সাওয়ালা। ফকির মিসকিন যা পাবেন সবই "সুন্নি" মুসলমান। আর আমরা আউরাই "ষড়যন্ত্র থিওরি!" 

তাহলে এখন বুঝলেনতো, কেন ইহুদিরা এত সফল? . শিক্ষা . চাকরি/কাজ এবং . ঐক্য। সেই সাথে ওরা ওদের ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলে। কাউকে ঠকায় না, কাস্টমারকে খাসির মাংস বলে কুকুরের মাংস খাওয়ায় না, ঈদের সময়ে বখশিশের নামে জোর করে টাকা আদায় করেনা, ঘুষ দুর্নীতি করেনা, ভাংতি পাঁচ টাকার বদলে লজেন্স ধরিয়ে দেয়না। এই বিষয়গুলোতে ফোকাস করুন, আপনিও সফল হবেন।