দেশ ও জাতির কল্যানে

ধর্ম চিন্তা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সর্বাধিক জনবহুল মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটি ইন্দোনেশিয়া, বিশ্বের ১২.৭% মুসলমান এ দেশে বসবাস করে, এর পরে পাকিস্তানে (১১.০%), বাংলাদেশে (৯.২%)...

মুসলিম নিরীহ হওয়ার করুন বাস্তবতা

সর্বাধিক জনবহুল মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটি ইন্দোনেশিয়া, বিশ্বের ১২.৭% মুসলমান এ দেশে বসবাস করে, এর পরে পাকিস্তানে (১১.০%), বাংলাদেশে (৯.২%) এবং মিশরে (৪.৯%) রয়েছে। বিশ্বের প্রায় ২০% মুসলমান মধ্য প্রাচ্য এবং উত্তর আফ্রিকাতে বসবাস করে।

বড় সংখ্যালঘু হিসেবে ভারত, চীন, রাশিয়া, ইথিওপিয়া, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপের কিছু অংশেও দেখা যায়। মোট জনসংখ্যার অনুপাত হিসাবে স্ব-বর্ণিত মুসলমানদের সর্বোচ্চ অনুপাতের দেশটি হল মরক্কো। ধর্মান্তরিত এবং অভিবাসী সম্প্রদায়গুলি বিশ্বের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলে রয়েছে। ৭৫-৯০% এরও বেশি মুসলমান হলেন সুন্নি, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় বৃহত্তম সম্প্রদায় শিয়া এবং আহমদিয়া যথাক্রমে ১০-২০%, এবং ১% করে। তবে পাকিস্তান, বাংলাদেশসহ অধিকাংশ মুসলমান প্রধান দেশে আহমদিয়াদের মুসলামন হিসেবে গন্য করা হয় না।

বিশ্বজনসংখ্যা রিপোর্ট ২০১৯ অনুযায়ী, পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ৭৭১.৫০ কোটি। এর মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ২০০ কোটি।

মুসলিম নিরীহ হওয়ার করুন বাস্তবতা

একজন ইহুদি যুবকের মেসেজ!

আমি একজন ইহুদি, এতে আমি গর্বিত। কেননা দুনিয়ায় আজ আমাদেরই রাজত্ব। জিহাদে তোমাদের সাথে পেরে উঠতে না পেরে আমরা কি করেছি জান?? খুব সহজে তোমাদের যুবতিদের থেকে পর্দা উঠিয়ে দিয়েছি। কোরআনের শিক্ষা থেকে তোমাদের সরিয়ে দিয়েছি। তোমাদের কাছে আমাদের পোশাক পাঠিয়ে দিয়েছি, আমাদের সংস্কৃতি পাঠিয়ে দিয়েছি, আমাদের সভ্যতা রপ্তানি করেছি।

যদি তোমাদের শপিংমলগুলোর দিকে তাকাও। কি দেখতে পাচ্ছ?? সব উলঙ্গ পোশাকের মেলা। তাই না? মজার ব্যপার হল, তোমরা বড় সহজে তা গ্রহণ করে নিয়েছ। তোমরা কি জান না?? লুত সম্প্রদায়ের এই হাল ছিল?? কত নির্বোধ তোমরা!! হাহাহা।

তোমরা শ্লোগান দেও, ইহুদিরা আমাদের পবিত্র ভূমি ছিনিয়ে নিয়েছে, আমাদের প্রথম কিবলা দখল করে রেখেছে, কোরআন সুন্নাহকে শেষ করে দিচ্ছে, কিন্তু কই?? কি করেছ তোমরা?? কিছুই করতে পারনি। পারবেও না। হাহাহা।

দৃষ্টি মেলে তাকাও, রাস্তায় রাস্তায় তোমাদের যুবতিরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। আহ ! কি খুশির কথা ! তোমাদের অবস্থা সূচনীয়। তোমরা মুসলমানরা শেষ হয়ে গেছ। প্রভূ আমাদের সহায় হোন। তোমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা বদলে দিয়েছি। সেখানে ইসলাম বলতে কিছুই নেই। আছে কিছু বিকৃত মতবাদ। টেলিভিশনে দিয়েছি সব নিচু মানষিকতার প্রোগ্রামস। তোমাদের এখন চুপচাপ থেকে আমাদের বাতলানো পথে চলাই ভাল। যদি বাঁচতে চাও। আর দেখে যাও আমাদের প্রোগ্রামগুলো।

আমরা তোমাদের যুবকদের মগজকে নষ্ট করে দিয়েছি। এক সময় তোমরা বড় সম্মানী জাতি ছিলে। এখন আমরা সম্মানী। তোমাদের যুবকরা আমাদের হাতের দিকে তাকিয়ে থাকে। তোমরা এখন চাকর জাতি। আমরাই তোমাদের এখন পরিচালনা করি।

তোমাদের জাতীয় ভাষাকে আমরা বদলে দিয়েছি। যে ভাষায় কোরআন, যে ভাষা স্বর্গের, যে ভাষা তোমাদের নবীর। এখন তোমরা আমাদের ভাষা শিখে, আমাদের ভাষায় (হাই, হ্যালো, মার্সি ইত্যাদি) কথা বলতে পেরে গর্ববোধ কর। এখন তোমরা আরবি ভাষাকে অহেতুক মনে কর। হাহাহা।

তোমরা একতাবদ্ধ থাকো সেটা আমাদের পছন্দ হয়নি। তাই তোমাদের মসজিদে মসজিদে বিরোধী ফিরকা তৈরি করে দিয়েছি। এখন তোমরা মুসলমান মুসলমানের সাথেই লড়ছ। আমরা তোমাদের দ্বীনকে বড় গভীরভাবে অধ্যায়ন করেছি এবং ছোট ছোট মাসআলা দিয়ে তোমাদের মধ্যে ফিরকা তৈরি করেছি। তোমরা এখন সেই আগুনেই পোড়ে মরছ। এখন তোমাদের বাচ্চারা সিরিয়াল দেখে দেখে বড় হয়। আর তোমরা তাদেরকে শান্ত রাখতে সিরিয়ালে মত্ত রাখ আর নিজেরা ডুবে থাকো অন্য সিরিয়ালে। হাহা।

অধ্যায়ন থেকে তোমাদের দূরে রাখতে আমরা বিভিন্ন ধরনের গেমস আবিষ্কার করেছি। যাতে তোমরা গেমসে ব্যস্ত থেকে কোরআনের জ্ঞানার্জন করতে না পার। কোরআনকে ভুলে যাও, তোমাদের আলেমদের ভুলে যাও, মুসলিম বিজ্ঞানীদের ভুলে যাও।

তোমাদের নতুন প্রজন্ম এমন প্রজন্ম, যারা সত্য বলতে ভয় পায়, সত্য না বলাকে হেকমত মনে করে। আমরা তোমাদেরকে এমন এক মিডিয়া দিয়েছি যাতে সারাদিন পড়ে থাকা যায় ও নামাজ, কোরান থেকে দুরে রাখা যায়। এটা আমাদেরই সফলতা। হাহাহা।

আমরা ইহুদি জাতি এই কথার উপর গর্ব করি যে, আমরা সংখ্যায় অতি নগণ্য হয়েও তোমাদেরকে আজ তরকারির ন্যায় খরিদ করে নিয়েছি। আর এতে তোমরা মোটেও চিন্তিত নও। বরং আমাদের অধিনে কাজ করতে পেরে তোমরা গর্ববোধ কর। প্রভূ আমাদের কৃপা করুন। যাতে একজন মুসলিমও না থাকে।

দেরিতে বিবাহ শতাব্দীর এক শ্রেষ্ঠ ষড়যন্ত্র!!

চট্টগ্রামের হালিশহর যারা থাকেন অথবা যারা নয়াবাজার বিশ্বরোড থেকে হালিশহরের রাস্তাটা দিয়ে আসা যাওয়া করেছেন তাদের চোখে নিশ্চয় এই বিল্ডিংটি ...

বাহাই একটি ধর্মের নাম!

চট্টগ্রামের হালিশহর যারা থাকেন অথবা যারা নয়াবাজার বিশ্বরোড থেকে হালিশহরের রাস্তাটা দিয়ে আসা যাওয়া করেছেন তাদের চোখে নিশ্চয় এই বিল্ডিংটি চোখে পড়েছে এবং জানার কৌতূহল হয়েছে এই বাহাই কেন্দ্র আসলে কী! কী এর কার্যক্রম! শুরুতে আমার ধারণা ছিল বাহাই সম্প্রদায় হয়ত কোন ক্ষুদ্র ধর্মীয় জাতি গোষ্ঠী যেটা ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। হালিশহরে এর অবস্থান হলেও হালিশহরের বেশিরভাগ মানুষের এ সম্পর্কে কোন ধারণা নেই। আমাকে কেউ জিজ্ঞেস করলে আমি সংক্ষেপে বলে দিতাম ক্ষুদ্র কোন ধর্মীয় গোষ্ঠী। উইকিপিডিয়া থেকে যা জানতে পেরেছি তা নিচে সংক্ষেপে উপস্থাপন করছি।

বাহাই ধর্ম বা বাহাই বিশ্বাস হচ্ছে বাহাউল্লাহ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত একেশ্বরবাদী একটি ধর্ম বা বিশ্বাস। ঊনবিংশ শতাব্দীতে পারস্যে (বর্তমানে ইরান) এই ধর্মের উৎপত্তি। মূলত মানবজাতির আত্মিক ঐক্য হচ্ছে এই ধর্মের মূল ভিত্তি।

বাহাই বিশ্বাস অনুসারে ধর্মীয় ইতিহাস স্বর্গীয় দূতদের ধারাবাহিক আগমণের মাধ্যমে ধাপে ধাপে সম্পন্ন হয়েছে। এই সকল স্বর্গীয় দূতদের মাঝে আছেন ইব্রাহিম, গৌতম বুদ্ধ, যীশু, মুহাম্মাদ ও অন্যান্যরা। সেই সাথে খুব সাম্প্রতিককালে বাব ও বাহাউল্লাহ। বাহাই ধর্ম মতে এসকল দূতগণ প্রত্যেকেই তাঁদের পরবর্তী দূত আসার ব্যাপারে, ও তাঁদেরকে অনুসরণ করতে বলে গেছেন। এবং বাহাউল্লার জীবন ও শিক্ষার মাধ্যমে দূতগণের এই ধারা ও পূববর্তী ধর্মগ্রন্থগুলোর অঙ্গীকার সম্পূর্ণ হয়েছে।

বাহাই শিক্ষা ও মতবাদের ভিত্তি তিনটি মূল নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এগুলো হচ্ছে ঈশ্বরের ঐক্য, ধর্মীয় ঐক্য, এবং মানবজাতির ঐক্য। বাহাই ধর্ম বিশ্বের প্রায় সকল ধর্মের বৈধতায় বিশ্বাস করে, এবং সকল ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় ব্যক্তিবর্গ হচ্ছে ঈশ্বরের প্রতিনিধি।

বাহাই পুস্তক অনুসারে, এই পরিচয় ও আনুগত্যের মাধ্যমে, এবং মানবতার জন্য কাজ করা ও নিয়মিত প্রার্থনার ফলে মানুষ ঈশ্বরের আরও নিকটবর্তী হতে থাকে। স্বর্গলোক ও মর্তলোককে আধ্যাত্মিকভাবে যথাক্রমে ঈশ্বরের নিকটবর্তী ও দূরবর্তী একটি অবস্থান হিসেবে ধরা হয়। এর মাধ্যমে পার্থিব ও পরবর্তী জীবনের মধ্যে সম্পর্ক সাধিত হয়। বাহাই বিশ্বাস অনুসারে মৃত্যুর পর কোনো পুরস্কার বা শাস্তি প্রদানের বিধান নেই।

দ্য ব্রিটানিকা বুক অফ দ্য ইয়ার (১৯৯২-বর্তমান) বইটি ২০০২ সালে দেশের উপস্থিতির সংখ্যাকে ভিত্তি করে ধর্মের বর্ধনশীলতার একটি হার প্রকাশ করেছে। এই জরিপ অনুসারে বাহাই ধর্ম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বর্ধনশীল স্বাধীন ধর্ম। ব্রিটানিকা দাবি করেছে বিশ্বের ২৪৭টি দেশ ও স্থানে এই ধর্মের অস্তিত্ব আছে। সেই সাথে বিশ্বে প্রায় ২,১০০ জাতিগত, বর্ণভিত্তিক, ও উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে এই ধর্মের অনুসারী রয়েছে। এছাড়াও বিশ্বের প্রায় ৮০০টি ভাষাভাষীর মানুষের মধ্যে এই ধর্মের অস্তিত্ব বিদ্যমান, এবং সবমিলিয়ে বিশ্বব্যাপী এই ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৭০ লক্ষ। ২০০৫ সালে ওয়ার্ল্ড ক্রিশ্চিয়ান এনসাইক্লোপিডিয়ার এক জরিপ অনুসারে বাংলাদেশে বাহাই ধর্মের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ১০,০০০।

মোবাইল কিনতে বসুন্ধরা যাচ্ছিলাম। গুলিস্তানে বাস না পেয়ে এক প্রকার বাধ্য হয়ে রিক্সায় উঠি। রিক্সাওয়ালা ভাই দাঁড়ি ওয়ালা যুবক, মাশাআল্লাহ।...



মোবাইল কিনতে বসুন্ধরা যাচ্ছিলাম। গুলিস্তানে বাস না পেয়ে এক প্রকার বাধ্য হয়ে রিক্সায় উঠি। রিক্সাওয়ালা ভাই দাঁড়ি ওয়ালা যুবক, মাশাআল্লাহ। দেখে বয়স বোঝার উপায় নেই। আগ্রহ নিয়ে কথা বলা শুরু করলাম।
এখন রিক্সা জমা কত করে ভাই?
১২০ টেঁকা।
এক সময় ৫০/৬০ টাকা ছিলো, তাই না?
আমি ২০ টাকা জমার সময় থেইকা চালাই ভাই।
বলেন কি! কত বছর ধরে চালান?
এইতো প্রায় ১৫ বছর।
মানে? বয়স কত আপনার? আর ঢাকায় কতদিন?
বয়স ৩৯ চলে। ঢাকায় আইছি ১০ বছর হইলো।
আপনাকে দেখে এত বয়স মনেই হয় না!
হেহে! তাই নাকি? আমার দুইটা বাচ্চা আছে। ৮ বছরের ছেলে আর ৫ বছরের মেয়ে।
মাশাআল্লাহ! ফেমেলি কই? আর ছেলে মেয়ে কি করে?
সবাই ঢাকা। ছেলে হাফেজি মাদ্রাসায় পড়ে আর মেয়ে মহিলা মাদ্রাসায় আমপারা শেষ করে কোরআন শরীফ নিলো।
আল হামদু লিল্লাহ! আল্লাহ তো আপনাকে রহমতের ডালা খুলে দিয়েছেন ভাই।
রহমতের কথা যেহেতু কইলেন তাইলে আরেকটু কই ভাই। আমার বউ ছিলো হিন্দু। ওরে বিয়া করছি বইলা আব্বায় আমারে বাইন্দা পিডাইছে। এর পর ওরে নিয়া ঘর ছাড়ছি। খুলনা শহরে অনেকদিন রিক্সা চালাইয়া দাখিল পর্যন্ত পড়ছি। এর পর ঢাকায় আইছি।
এইভাবে কষ্ট হয় না?
না ভাই। আল্লাহ অনেক বরকত দিছে। আমার বউ মাশাআল্লাহ আইএ পাশ। বাসায় ছোট ছোট বাচ্চা পড়ায়, মাসে ১০/১৫ হাজার টাকা কামায়। এই রিক্সাটা আমার নিজের। আল্লাহর রহমতে ভাল কামাই। এখন মাত্র ১১ টা বাজে। আপনাগো নামাইয়া দিলে আমার আজকের ইনকাম হইবো ৭০০ এর উপরে। বাকি দিন তো আছেই।
বউ মুসলমান হইছে?
কি বলেন ভাই! আমার বউ শুদ্ধ ভাবে কোরআন শরীফ পড়তে পারে। সন্ধার পর বইসা ওর পড়া শুনি, ওর থেকে শিখি। মাঝে মাঝে ভাবি আল্লাহ শাহরুখ খানরে হিন্দু বউ দিছে, আমারেও দিছে। ওর মত এত টাকা হয়তো আমার নাই, কিন্তু আমার যা আছে তা শাহরুখ খানের নাই।
মাশাআল্লাহ। ভবিষ্যৎ এর চিন্তা কি?
বেশিদিন ঢাকা থাকুম না। বাবা মায়ের কাছে ফিরা যামু। ছেলের হাফেজি শেষ হইলে আর ব্যাংকে কিছু টাকা সন্চয় হইলেই চইলা যামু।
কত আছে এখন?
আছে আল হামদু লিল্লাহ ভালই। আমি টেঁকার পিছে দৌড়াই না ভাই। নাইলে রিক্সাওয়ালাগো ইনকামের বহুত উপায় আছে। আমারে হক হালাল পথে আল্লাহ যা দেয় তাতেই আমি খুশী। মইরা গেলে এই টেঁকা কে খাইবো!
আপনি কি এই অবস্থায় খুশী?
হ ভাই। খালি রিক্সাওয়ালাগো সম্মান একটু কম। তাতে কি। কষ্ট কইরা হালাল টেঁকা কামাই। হালাল রিজিকে কোন অসম্মান নাই। আমাগো নবীজি নিজেও তো মানুষের কাজ কইরা খাইছে।
কিছু মনে না করলে আপনার একটা ছবি তুলি ভাই?
তুলেন। আমার জন্য দোয়া কইরেন।
ছবি তুলে হাত মিলিয়ে চলে আসলাম। মনে মনে ভাবছি আমার ঈমান কি এই রিক্সাওয়ালা ভাইয়ের ধারে কাছেও আছে? আমি কি আল্লাহ এবং আল্লাহর সিদ্ধান্তের উপর এই ভাইয়ের মতই সন্তুষ্ট? আমার রব কি আমার উপর ততটাই সন্তুষ্ট, যতটা এই ভাইয়ের উপর?
-সংগৃহীত