দেশ ও জাতির কল্যানে

লাইফস্টাইল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মানবদেহে প্রস্রাব তৈরি হয় বৃক্কে (kidneys)। সেখান থেকে এটি জমা হয় মূত্রাশয় বা মূত্রস্থলীতে (bladder)। সেখান থেকে একটি সরু নালী - মূত্রনা...



মানবদেহে প্রস্রাব তৈরি হয় বৃক্কে (kidneys)। সেখান থেকে এটি জমা হয় মূত্রাশয় বা মূত্রস্থলীতে (bladder)। সেখান থেকে একটি সরু নালী - মূত্রনালী (urethra) দিয়ে দেহ থেকে বার হয়।

দাড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের কি কি ক্ষতি হয় জানলে জীবনেও এই কাজটি করবেন না!!

দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করা ক্ষতিকর কেন? বিজ্ঞান কি বলে?

👉 চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষনায় দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যেসব মারাত্মক ক্ষতি হয় আসুন তা জেনে নেই।

  1. দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পেটের উপর কোনে চাপ পড়ে না। ফলে দূষিত বায়ু বের হতে পারেনা। বরং তা উপর দিকে উঠে যায়। ফলে অস্থিরতা বাড়ে, রক্ত চাপ বাড়ে, হৃদযন্ত্রে স্পন্দন বাড়ে, খাদ্যনালী দিয়ে বার বার হিক্কা আসতে থাকে।
  2. দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলি সরু ও লম্বা হয়ে ঝুলতে থাকে ফলে প্রস্রাবের দূষিত পদার্থগুলো থলির নিচে গিয়ে জমা হয়। অথচ বসে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের থলিতে চাপ লাগে ফলে সহজেই ওইসব দূষিত পদার্থ বের হয়ে যায়।
  3. ৩- দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে কিডনিতে অতি সহজে পাথর সৃ্ষ্টি হয়।
  4. দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে প্রস্রাবের বেগ কমতে থাকে।
  5. যারা নিয়মিত দাড়িয়ে প্রস্রাব করেন তাদের অবশ্যই শেষ জীবনে ডায়াবেটিস, জন্ডিস, কিডনী রোগ হবেই।

৬- দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পুরুষের যৌনশক্তি কমতে থাকে এবং পুরুষাঙ্গ নরম হয়ে যায় এবং সহজে সোজা ও শক্ত হতে চায় না। উত্তেজনার সময় যদিও শক্ত হয় কিছুক্ষন পর কিছু বের না হতেই তা আবার ছোট ও নরম হয়ে যায়।

৭- দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে পরিবেশ দূষিত হয়। সেই দূষিত বায়ু আমাদের দেহে প্রবেশ করে বিভিন্ন জটিল রোগের সৃষ্টি করে।

৮- দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করলে তার ছিটে দেহে ও কাপড়ে লাগে ফলে তা দুর্গন্ধের সৃষ্টি করে।
স্বাস্থ্য বিজ্ঞান বলে উপরোক্ত দৈহিক সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের অতি অবশ্যই বসে প্রস্রাব করা উচিত।

অথচ সর্বশ্রেষ্ঠ স্বাস্থ্যবিজ্ঞানী আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) চৌদ্দশত বছর আগেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে নিষেধ করেছেন এবং বসে প্রস্রাব করার আদেশ দিয়েছেন।

“ওমর (রাযিঃ) বলেন- নবী (সাঃ) কোন একদিন আমাকে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে দেখে বললেন, হে ওমর তুমি কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করবে না। এরপর আমি আর কখনই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করিনি” ||
[তিরমীযি হাদীস/১২]

একটি শিশু জন্ম নেয় পরিবারেই আর তাই পরিবারই হয়ে ওঠে শিশুটির সবচেয়ে আপন ভুবন। প্রথম শিক্ষা লাভের পাঠশালা। পরিবারের সদস্যরাই হয়ে ওঠে শিশুর সবচে...

প্রান হীন সভ্যতার মুখোমুখি বাবা ছেলে

একটি শিশু জন্ম নেয় পরিবারেই আর তাই পরিবারই হয়ে ওঠে শিশুটির সবচেয়ে আপন ভুবন। প্রথম শিক্ষা লাভের পাঠশালা। পরিবারের সদস্যরাই হয়ে ওঠে শিশুর সবচেয়ে আপনজন। পাশাপাশি বলা যায় শিশুর প্রথম ও সবচেয়ে বড় শিক্ষকও হন শিশুটির  বাবা ও মা। 

সমাজে প্রচলিত আছে একজন নারী গর্ভবতী হওয়ার সাথে সাথে “মা” হয়ে যায়, আর একজন পুরুষ বাচ্চা কোলে নেওয়ার পর “বাবা” হন। একজন মায়ের তার অনাগত শিশুর জন্য স্নেহ ভালোবাসার কমতি থাকে না, অপরদিকে একজন বাবা তার শিশুটিকে কত সুন্দর করে  বড় করবে সেই চেষ্টায় ব্যস্ত থাকে। একটি শিশুকে বড় করার দায়িত্ব শুধু একা মার নয়, বাবার ওপরেও এই দায়িত্ব বর্তায়। বলা হয় ছেলেরা মায়ের সাথে আর মেয়েরা বাবার সাথে বেশি ঘনিষ্ট হয়ে থাকে। কিন্তু কিছু বিষয় আছে যা প্রতিটি বাবার উচিত তার ছেলে সন্তানকে শেখানো। এ বিষয়গুলো তার ছেলেকে একজন ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে।

আমার বাবা আমার বাসায় হঠাৎ করেই হাজির। আমি বেশ বিব্রত বোধ করলাম। বাসা ভর্তি মেহমান। এর ভিতরেই বাবা একটা পুরোনো, ময়লা পাঞ্জাবি পরে এসেছে। পাঞ্জাবির এক জায়গায় আবার সেলাই করা। সম্ভবত মা যত্ন করে সেলাই করে দিয়েছে। 

বাবা এই দিয়ে সম্ভবত তিনবার আমার বাড়িতে এসেছে । আমি বাবাকে স্টোর রুমে নিয়ে বসালাম। তারপর বেশ চাপা রাগের স্বরে বললাম,

- যখন তখন আসার মানে কি ? আমি কোন সাহায্য সহযোগিতা করতে পারবো না । এ মাসেই আমার একটা বিদেশ টুর আছে। বেশ কয়েক লাখ টাকা ওখানে খরচ হবে ।

বাবা বেশ অবাক হয়ে বললো, 

- তোমার কাছে তো কোনদিন সাহায্য চাইনি বাবা !!!

তা অবশ্য ঠিক । কিন্তু যখন তখন বাড়িতে আসলে যে আমার প্রেস্টিজ নষ্ট হয়, তা যে কেন এই অশিক্ষিত লোকগুলো বুঝে না । না পারি সইতে, না পারি কইতে। তাই বেশ ঝাঝের সাথেই বললাম, 

- সাহায্য না লাগলে, খামোখা আসছো কেন ?

- তোমার মা আজ সকালে মারা গেছে । আছরবাদ দাফন হবে । মরার আগে তোমাকে খুব দেখার ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু তুমি ব্যস্ত মানুষ । অসুস্থ মাকে দেখতে যাওয়ার সময় ছিল না তোমার । এখানে এনে যে দেখিয়ে নিয়ে যাবো, তাতে আবার তোমার সম্মান নষ্ট হয়। তাই মরার আগে তোমাকে আর দেখতে পারলো না । যদি তার জানাজাতে যেতে, তাহলে তার আত্মা একটু শান্তি পেতো।

বাবা কি আমাকে ইচ্ছা করে কটু কথা শোনাচ্ছে? বয়স হইলে মানুষ তো মারা যাবেই। এতে এত আপসেট হওয়ার কি আছে? আজ বাসায় এত মেহমান, যাবো কি করে? সোমার জন্মদিন উপলক্ষে সোমার আত্মীয় স্বজন এবং বন্ধু বান্ধবীরা এসেছে । কিন্তু গ্রামে না গেলে, গ্রামের মানুষ জনও কথা শোনাবে । গ্রামের মানুষ জন তো গীবত ছাড়া আর কিছুই পারে না । তাই বাবাকে নিয়ে রওনা দিলাম বাড়ির উদ্দেশ্যে ।

আমাদের বাড়ি শহরতলীতে, গ্রামই বলা যায়। আমার নিজস্ব গাড়িতেই গিয়েছিলাম । যখন পৌঁছালাম, তখন লাশ অলরেডি জানাজার জন্য মসজিদে নেওয়া হয়েছে । আমাকে দেখে, সবাই সরে দাঁড়ালো। মাতবর চাচা বললো,

- রায়হান বাবা, শেষ বারের মত মায়ের মুখখান দেখবা নাকি ?

আমি বললাম, 

- থাক, দরকার নেই। জানাজা শুরু করুণ।

মাকে কবর দিয়ে এসে ঘরে এসে বসলাম । কেমন যেন একটু মন খারাপ মন খারাপ লাগছে। হয়তো, আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশীরা কান্নাকাটি করছে, সেজন্য । কান্নাকাটি একটা ছোঁয়াচে রোগ। একজনের থেকে আর একজনের ভিতর সংক্রামিত হয়। গ্রামের কেউ কেউ সুর করে কাঁদছে - "ওরে রায়হান, তুই শেষ পর্যন্ত আইলি, কিন্তু তোর মা তোরে একটু দেখতি পারলো না ।"

বাবা ঘরে ঢুকে সবাইকে অনুরোধ করলো, পাশের ঘরে যাওয়ার জন্য । সবাই চলে গেলে, বাবা একটা নতুন টেবিল ফ্যান বের করে আমার সামনে চালু করে দিল। অনেকক্ষণ পরে একটু আরাম লাগলো। আসলেই গরমে খুব কষ্ট পাচ্ছিলাম । দেখি বাবাও ঘেমে গেছে। ফ্যানটা মুভ করে দিলাম । কিন্তু বাবা আবার আমার দিকে ফিক্সড করে দিলো। বললো,

- এ ফ্যানের বাতাসতো আমার গায়ে লাগাতে পারবো না বাবা । তোমার মা যখন খুব অসুস্থ ছিল, গরমে খুব কষ্ট পেতো। কিন্তু এই ফ্যানটা চালু করতে দিতো না । বলতো, " থাক, নষ্ট হয়ে যাবে । খোকা আসলেই ফ্যানটা চালাবো।"

বাবা একটু থেমে আবার বলতে লাগলো, 

- গতবার তুমি যখন আইছিলে, তখন গরম বলে বাড়িতে দু ঘন্টাও বসতে পারোনি। তাই তোমার মা তোমার জন্য এই ফ্যানটা কিনাইছে। যাতে বাড়ি আসলে, তোমার কষ্ট না হয়।

আমার মার জন্য হঠাৎ করেই খারাপ লাগতে শুরু করলো। বাবা মায়ের পুরোনো বাক্সটা খুললো। একটা পুটলা বের করে নিয়ে আসলো । আর একটা খেলনা গাড়ির প্যাকেট। আমার হাতে দিয়ে বললো, 

- তোমার বাসায় তোমার মা জীবনে একবার গিয়েছিল। তুমি বলেছিলে, তোমার ব্যবসার অবস্থা খুব খারাপ, অনেক টাকা লাগবে। সেই থেকে তোমার মা আমার সাথে সারাক্ষণ ঘ্যান ঘ্যান করে। আমাদের দক্ষিণ মাঠের তিন বিঘা জমি বিক্রি করে দেওয়ার জন্য। উত্তর মাঠের জমিটাতো তোমার পড়াশুনার জন্য বিক্রি করেছিলাম। শেষ সম্বল ছিল দক্ষিণ মাঠের জমিটা। তাই আমি রাজি হতাম না। কিন্তু তোমার মায়ের শরীর দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছিল। তাই তার শেষ ইচ্ছা পূরণ করার জন্য গতমাসে বিক্রি করে দিলাম জমিটা। পনেরো লাখ টাকা পেয়েছি জমিটা বিক্রি করে। তার ভিতর তিন হাজার টাকা দিয়ে ফ্যানটা কিনেছি। আর এক হাজার টাকা দিয়ে এই খেলনা গাড়িটা কিনেছি। বাকি টাকা এই পুটলিতে আছে। তুমি যখন ছোট ছিলে, তখন মাতবরের ছেলের এমন একটা গাড়ি ছিল । তুমি সারাক্ষণ তোমার মার সাথে ঘ্যান ঘ্যান করতে, এরকম একটা গাড়ির জন্য। তোমার মা খুব কষ্ট পেতো। সামর্থ্য ছিল না বলে, কিনে দিতে পারি নাই । যখনই তোমার মা তোমার জন্য খুব মন খারাপ করতো, তখনই বলতো, ছেলেডারে একটা খেলনা গাড়িও কিনে দিতে পারি নাই। গাড়িটা যেদিন কিনে আনি, সেদিন যদি তোমার মায়ের খুশিটা দেখতে বাবা ! খুব ইচ্ছা ছিল তার, এই টাকা কয়টা আর এই খেলনা গাড়িটা নিজ হাতে তোমারে দেবে। তোমারে অনেকবার খবরও পাঠাইছি, কিন্তু তোমার ব্যস্ততার জন্য তুমি আসতে পারো নাই। যাই হোক, তার আত্মা নিশ্চয়ই দেখতেছে।

মনে পড়লো, মা একবারই আমার বাড়িতে গেছে। মনে করেছিলাম, সাহায্য চাইতে পারে। তাই আগে থেকেই, ব্যবসায় লসের গল্প শুনিয়েছিলাম মাকে।

পৃথিবীটা কেমন যেন অর্থহীন লাগছে আমার কাছে । মাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে আমার। কবর খুঁড়ে মাকে তো আর দেখতে পারবো না। আমি বাচ্চা ছেলেদের মত বাবাকে ধরে কাঁদছি। বাবা পরম স্নেহে মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন আর বলছেন, " কাঁদে না বাবা। মা তো সবার চিরকাল বাঁচে না। "

সুখ একটি মানবিক অনুভূতি। সুখ মনের একটি অবস্থা বা অনুভূতি যা ভালোবাসা, তৃপ্তি, আনন্দ বা উচ্ছ্বাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্...


সুখ একটি মানবিক অনুভূতি। সুখ মনের একটি অবস্থা বা অনুভূতি যা ভালোবাসা, তৃপ্তি, আনন্দ বা উচ্ছ্বাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদটির
নাম হচ্ছে সুখ। যার ক্রেতা সবাই কিন্তু বিক্রেতা শুধু একজন মহান আল্লাহ পাক মনে রাখবে, সুখী হতে অনেক কিছুর দরকার নেই। দরকার এমন কিছু মানুষের যারা সত্যিই আপনাকে বোঝে চিরো সত্যি একটা কথা,
তোমার দেওয়া কষ্টে একটু অভিমানের জন্য যদি কারো চোঁখে জল আসে, তবে মনে রেখো, তার চেয়ে বেশি কেউ তোমাকে ভালোবাসে না যে তোমার দ্বায়িত্ব, আপনার প্রিয় মানুষটি কোন কারণে আপনার উপর রাগ করতে পারে। কেননা, এটা তাঁর অধিকার। আর তাঁর রাগ ভাঙ্গানোটা আপনার দায়িত্ব যেটা না বললেই নয়, মুখে মুখে সবাই আপন, মনে মনে নয়. কে আপন কে পর কাজে পরিচয়. মধুর সুরে করা যায় প্রেমের অভিনয়, ভালবাসি বলা সহজ, ভালবাসা নয় এটাইর নামই সত্যি কারে ভালোবাসা,
এমন একজন কে বিশ্বাস করবে যে তোমাকে দুঃখ দিয়ে নিজেকে আপরাধী মনে করে। এমন একজন কে ভালোবাসো যার ভিতর সারাক্ষণ তোমাকে হারানোর ভয় থাকবে, তোমার সাথে কথা না বললে না দেখে তোমাকে খুঁজে বেড়াবে আর অবশ্য ভালো করে মনে রাখবে, ভালো মানুষের রাগ থাকে বেশী। আর যারা মিচকা শয়তান তাঁরা রাগে না। পাছায় লাথি দিলেও, লাথি খেয়েও হাসবে?

PRIVACY POLICY · The app doesn't collect any user personal data as, for example, name, picture or location. · Consequently, the app ...

PRIVACY POLICY

· The app doesn't collect any user personal data as, for example, name, picture or location.

· Consequently, the app doesn't share any personal information with any other entity or third parties.

· We allow third-party companies to serve ads and collect certain anonymous information when you visit our app. These companies may use anonymous information such as your Google Advertising ID, your device type and version, browsing activity, location and other technical data relating to your device, in order to provide advertisements.