দেশ ও জাতির কল্যানে

সম্পর্ক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন , মা-মনি , তোমার কি বিয়ে হয়েছে ? " মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল" __ হ্যাঁ স্যার...


টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন,
মা-মনি, তোমার কি বিয়ে হয়েছে?
"মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল"
__হ্যাঁ স্যার। আমার একটা দুই বছরের ছেলে
আছে।
.
টিচার চট করে দাঁড়ালেন। খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন, "আমরা আজ আমাদেরই একজনের প্রিয় মানুষদের নাম জানবো। এই কথা বলেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললেন,
.
__মা আজকে তুমিই টিচার। এই নাও চক, ডাষ্টার।
যাও তোমার প্রিয় দশ জন মানুষের নাম লেখো। মেয়েটা বোর্ডে গিয়ে দশ জন মানুষের নাম লেখলো। টিচার বললেন,
.
এরা কারা? তাদের পরিচয় ডান পাশে লেখো। মেয়েটা এদের পরিচয় লেখলো।
.
সংসারের সবার নামের পাশে দুই একজন বন্ধু, প্রতিবেশীর নামও আছে। টিচার এবার বললেন,
.
লিষ্ট থেকে পাঁচ জনকে মুছে দাও। মেয়েটা তার প্রতিবেশী, আর ক্লাশমেটদের নাম মুছে দিলো।
টিচার একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আরো তিন জনের নাম মুছো। মেয়েটা এবার একটু ভাবনায় পড়লো। ক্লাশের অন্য ষ্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টাকে। খুব মনযোগ
দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ
করছে। মেয়েটার হাত কাঁপছে।
.
সে ধীরে ধীরে তার বেষ্ট ফ্রেন্ডের নাম মুছলো।
এবং বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো। এখন মেয়েটা রিতিমত
কাঁদছে।
.
যে মজা দিয়ে ক্লাশটা শুরু হয়েছিলো, সেই মজা আর
নেই। ক্লাশের অন্যদের মাঝেও টানটান উত্তেজন।
লিষ্টে আর বাকী আছে দুইজন। মেয়েটার হাজবেন্ড আর
সন্তান। টিচার এবার বললেন, আরো একজনের নাম মুছো।
কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো। কারো নাম মুছতে সে
আর পারছেনা। টিচার বললেন
.
মা গো, এইটা একটা খেলা।
সাইকোলজিক্যাল খেলা। জাষ্ট প্রিয় মানুষদের নাম মুছে দিতে
বলেছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি!!!
.
মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে ছেলের নামটা মুছে দিলো।
টিচার এবার মেয়েটার কাছে গেলেন, পকেট থেকে একটা
গিফ্ট বের করে বললেন– তোমার মনের উপর দিয়ে যে
ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত। আর এই গিফ্ট বক্সে
দশটা গিফ্ট আছে। তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য।
.
এবার বলো, কেন তুমি অন্য নামগুলো মুছলে। মেয়েটা
বলল- প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম মুছে দিলাম।
.
কারন তবু আমার কাছে বেষ্ট ফ্রেন্ড আর পরিবারের সবাই
রইলো। পরে যখন আরো তিন জনের নাম মুছতে
বললেন, তখন বেষ্ট ফ্রেন্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে
দিলাম। ভাবলাম, বাবা মা তো আর চিরদিন থাকবে না। আর বেষ্ট
ফ্রেন্ড না থাকলে কি হয়েছে?
.
আমার কাছে আমার পুত্র আর তার বাবাই বেষ্ট ফ্রেন্ড। কিন্তু
সবার শেষে যখন এই দুইজন থেকে একজনকে মুছতে
বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না।
.
পরে ভেবে দেখলাম, ছেলেতো বড় হয়ে একদিন
আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু
ছেলের বাবাতো কোন দিনও আমাকে ছেড়ে যাবে না।

সংগৃহীত।

একটি শিশু জন্ম নেয় পরিবারেই আর তাই পরিবারই হয়ে ওঠে শিশুটির সবচেয়ে আপন ভুবন। প্রথম শিক্ষা লাভের পাঠশালা। পরিবারের সদস্যরাই হয়ে ওঠে শিশুর সবচে...

প্রান হীন সভ্যতার মুখোমুখি বাবা ছেলে

একটি শিশু জন্ম নেয় পরিবারেই আর তাই পরিবারই হয়ে ওঠে শিশুটির সবচেয়ে আপন ভুবন। প্রথম শিক্ষা লাভের পাঠশালা। পরিবারের সদস্যরাই হয়ে ওঠে শিশুর সবচেয়ে আপনজন। পাশাপাশি বলা যায় শিশুর প্রথম ও সবচেয়ে বড় শিক্ষকও হন শিশুটির  বাবা ও মা। 

সমাজে প্রচলিত আছে একজন নারী গর্ভবতী হওয়ার সাথে সাথে “মা” হয়ে যায়, আর একজন পুরুষ বাচ্চা কোলে নেওয়ার পর “বাবা” হন। একজন মায়ের তার অনাগত শিশুর জন্য স্নেহ ভালোবাসার কমতি থাকে না, অপরদিকে একজন বাবা তার শিশুটিকে কত সুন্দর করে  বড় করবে সেই চেষ্টায় ব্যস্ত থাকে। একটি শিশুকে বড় করার দায়িত্ব শুধু একা মার নয়, বাবার ওপরেও এই দায়িত্ব বর্তায়। বলা হয় ছেলেরা মায়ের সাথে আর মেয়েরা বাবার সাথে বেশি ঘনিষ্ট হয়ে থাকে। কিন্তু কিছু বিষয় আছে যা প্রতিটি বাবার উচিত তার ছেলে সন্তানকে শেখানো। এ বিষয়গুলো তার ছেলেকে একজন ভাল মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করবে।

আমার বাবা আমার বাসায় হঠাৎ করেই হাজির। আমি বেশ বিব্রত বোধ করলাম। বাসা ভর্তি মেহমান। এর ভিতরেই বাবা একটা পুরোনো, ময়লা পাঞ্জাবি পরে এসেছে। পাঞ্জাবির এক জায়গায় আবার সেলাই করা। সম্ভবত মা যত্ন করে সেলাই করে দিয়েছে। 

বাবা এই দিয়ে সম্ভবত তিনবার আমার বাড়িতে এসেছে । আমি বাবাকে স্টোর রুমে নিয়ে বসালাম। তারপর বেশ চাপা রাগের স্বরে বললাম,

- যখন তখন আসার মানে কি ? আমি কোন সাহায্য সহযোগিতা করতে পারবো না । এ মাসেই আমার একটা বিদেশ টুর আছে। বেশ কয়েক লাখ টাকা ওখানে খরচ হবে ।

বাবা বেশ অবাক হয়ে বললো, 

- তোমার কাছে তো কোনদিন সাহায্য চাইনি বাবা !!!

তা অবশ্য ঠিক । কিন্তু যখন তখন বাড়িতে আসলে যে আমার প্রেস্টিজ নষ্ট হয়, তা যে কেন এই অশিক্ষিত লোকগুলো বুঝে না । না পারি সইতে, না পারি কইতে। তাই বেশ ঝাঝের সাথেই বললাম, 

- সাহায্য না লাগলে, খামোখা আসছো কেন ?

- তোমার মা আজ সকালে মারা গেছে । আছরবাদ দাফন হবে । মরার আগে তোমাকে খুব দেখার ইচ্ছা ছিল তার। কিন্তু তুমি ব্যস্ত মানুষ । অসুস্থ মাকে দেখতে যাওয়ার সময় ছিল না তোমার । এখানে এনে যে দেখিয়ে নিয়ে যাবো, তাতে আবার তোমার সম্মান নষ্ট হয়। তাই মরার আগে তোমাকে আর দেখতে পারলো না । যদি তার জানাজাতে যেতে, তাহলে তার আত্মা একটু শান্তি পেতো।

বাবা কি আমাকে ইচ্ছা করে কটু কথা শোনাচ্ছে? বয়স হইলে মানুষ তো মারা যাবেই। এতে এত আপসেট হওয়ার কি আছে? আজ বাসায় এত মেহমান, যাবো কি করে? সোমার জন্মদিন উপলক্ষে সোমার আত্মীয় স্বজন এবং বন্ধু বান্ধবীরা এসেছে । কিন্তু গ্রামে না গেলে, গ্রামের মানুষ জনও কথা শোনাবে । গ্রামের মানুষ জন তো গীবত ছাড়া আর কিছুই পারে না । তাই বাবাকে নিয়ে রওনা দিলাম বাড়ির উদ্দেশ্যে ।

আমাদের বাড়ি শহরতলীতে, গ্রামই বলা যায়। আমার নিজস্ব গাড়িতেই গিয়েছিলাম । যখন পৌঁছালাম, তখন লাশ অলরেডি জানাজার জন্য মসজিদে নেওয়া হয়েছে । আমাকে দেখে, সবাই সরে দাঁড়ালো। মাতবর চাচা বললো,

- রায়হান বাবা, শেষ বারের মত মায়ের মুখখান দেখবা নাকি ?

আমি বললাম, 

- থাক, দরকার নেই। জানাজা শুরু করুণ।

মাকে কবর দিয়ে এসে ঘরে এসে বসলাম । কেমন যেন একটু মন খারাপ মন খারাপ লাগছে। হয়তো, আত্মীয় স্বজন, প্রতিবেশীরা কান্নাকাটি করছে, সেজন্য । কান্নাকাটি একটা ছোঁয়াচে রোগ। একজনের থেকে আর একজনের ভিতর সংক্রামিত হয়। গ্রামের কেউ কেউ সুর করে কাঁদছে - "ওরে রায়হান, তুই শেষ পর্যন্ত আইলি, কিন্তু তোর মা তোরে একটু দেখতি পারলো না ।"

বাবা ঘরে ঢুকে সবাইকে অনুরোধ করলো, পাশের ঘরে যাওয়ার জন্য । সবাই চলে গেলে, বাবা একটা নতুন টেবিল ফ্যান বের করে আমার সামনে চালু করে দিল। অনেকক্ষণ পরে একটু আরাম লাগলো। আসলেই গরমে খুব কষ্ট পাচ্ছিলাম । দেখি বাবাও ঘেমে গেছে। ফ্যানটা মুভ করে দিলাম । কিন্তু বাবা আবার আমার দিকে ফিক্সড করে দিলো। বললো,

- এ ফ্যানের বাতাসতো আমার গায়ে লাগাতে পারবো না বাবা । তোমার মা যখন খুব অসুস্থ ছিল, গরমে খুব কষ্ট পেতো। কিন্তু এই ফ্যানটা চালু করতে দিতো না । বলতো, " থাক, নষ্ট হয়ে যাবে । খোকা আসলেই ফ্যানটা চালাবো।"

বাবা একটু থেমে আবার বলতে লাগলো, 

- গতবার তুমি যখন আইছিলে, তখন গরম বলে বাড়িতে দু ঘন্টাও বসতে পারোনি। তাই তোমার মা তোমার জন্য এই ফ্যানটা কিনাইছে। যাতে বাড়ি আসলে, তোমার কষ্ট না হয়।

আমার মার জন্য হঠাৎ করেই খারাপ লাগতে শুরু করলো। বাবা মায়ের পুরোনো বাক্সটা খুললো। একটা পুটলা বের করে নিয়ে আসলো । আর একটা খেলনা গাড়ির প্যাকেট। আমার হাতে দিয়ে বললো, 

- তোমার বাসায় তোমার মা জীবনে একবার গিয়েছিল। তুমি বলেছিলে, তোমার ব্যবসার অবস্থা খুব খারাপ, অনেক টাকা লাগবে। সেই থেকে তোমার মা আমার সাথে সারাক্ষণ ঘ্যান ঘ্যান করে। আমাদের দক্ষিণ মাঠের তিন বিঘা জমি বিক্রি করে দেওয়ার জন্য। উত্তর মাঠের জমিটাতো তোমার পড়াশুনার জন্য বিক্রি করেছিলাম। শেষ সম্বল ছিল দক্ষিণ মাঠের জমিটা। তাই আমি রাজি হতাম না। কিন্তু তোমার মায়ের শরীর দিন দিন খারাপ হয়ে যাচ্ছিল। তাই তার শেষ ইচ্ছা পূরণ করার জন্য গতমাসে বিক্রি করে দিলাম জমিটা। পনেরো লাখ টাকা পেয়েছি জমিটা বিক্রি করে। তার ভিতর তিন হাজার টাকা দিয়ে ফ্যানটা কিনেছি। আর এক হাজার টাকা দিয়ে এই খেলনা গাড়িটা কিনেছি। বাকি টাকা এই পুটলিতে আছে। তুমি যখন ছোট ছিলে, তখন মাতবরের ছেলের এমন একটা গাড়ি ছিল । তুমি সারাক্ষণ তোমার মার সাথে ঘ্যান ঘ্যান করতে, এরকম একটা গাড়ির জন্য। তোমার মা খুব কষ্ট পেতো। সামর্থ্য ছিল না বলে, কিনে দিতে পারি নাই । যখনই তোমার মা তোমার জন্য খুব মন খারাপ করতো, তখনই বলতো, ছেলেডারে একটা খেলনা গাড়িও কিনে দিতে পারি নাই। গাড়িটা যেদিন কিনে আনি, সেদিন যদি তোমার মায়ের খুশিটা দেখতে বাবা ! খুব ইচ্ছা ছিল তার, এই টাকা কয়টা আর এই খেলনা গাড়িটা নিজ হাতে তোমারে দেবে। তোমারে অনেকবার খবরও পাঠাইছি, কিন্তু তোমার ব্যস্ততার জন্য তুমি আসতে পারো নাই। যাই হোক, তার আত্মা নিশ্চয়ই দেখতেছে।

মনে পড়লো, মা একবারই আমার বাড়িতে গেছে। মনে করেছিলাম, সাহায্য চাইতে পারে। তাই আগে থেকেই, ব্যবসায় লসের গল্প শুনিয়েছিলাম মাকে।

পৃথিবীটা কেমন যেন অর্থহীন লাগছে আমার কাছে । মাকে খুব দেখতে ইচ্ছা করছে আমার। কবর খুঁড়ে মাকে তো আর দেখতে পারবো না। আমি বাচ্চা ছেলেদের মত বাবাকে ধরে কাঁদছি। বাবা পরম স্নেহে মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন আর বলছেন, " কাঁদে না বাবা। মা তো সবার চিরকাল বাঁচে না। "

 ইসলাম ধর্ম একটি মজবুত, আন্তরিক এবং পরস্পর বোঝাপড়া ও সহানুভূতিশীল পরিবার নির্মাণ করার তাগিদ দেয়।  স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা😮😮 একটু কষ্ট হলেও...

sami-strir-bhalobasa

 ইসলাম ধর্ম একটি মজবুত, আন্তরিক এবং পরস্পর বোঝাপড়া ও সহানুভূতিশীল পরিবার নির্মাণ করার তাগিদ দেয়। 

স্বামী স্ত্রীর ভালোবাসা😮😮

একটু কষ্ট হলেও সবাই পুরোটা পড়বেন

গরিব পরিবারের একটি ছেলের সাথে একই গ্রামের একটি গরিব মেয়ের বিয়ে হয়! ছেলেটার বয়স ২১ বছরের মত, আর মেয়েটার বয়স ১৬ বছর!

বিয়ের পর ছেলেটা মেয়েটিকে বললেন, তোমার কি কোন ইচ্ছে আছে?

.

মেয়েটা বলল, আমার ইন্জিনিয়ার হওয়ার বড় আশা ছিল!

এরপর ছেলেটা মেয়েটাকে নিয়ে কোলকাতায় চলে আসে। মেয়েটিকে উনিভার্সিটিতে ভর্তি করিয়ে লেখাপড়া করায়।

ছেলেটা ভোর ৪ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত পরিশ্রম করে। মেয়েটার লেখাপড়ার খরচ আর সংসার খরচ চালায়।

.

অনেকদিন হওয়ার পরও তাদের মধ্যে কোন

স্বামী স্ত্রীর শারীরিক সম্পর্ক হয় না!

মেয়েটার বন্ধু বান্ধব প্রশ্ন করে ছেলেটা কে?

মেয়েটা উত্তর দেয়, সে আমার ভাই!


ছেলেটা কখনো রিক্সা চালায়, কখনো দিন

মজুরি করে, কখনো ইট ভাটায় কাজ করে, আবার

কখনো কুলির কাজ করে l


নিজের কথা না ভেবে তার জন্য টাকা রোজগার করে মেয়েটাকে ইন্জিনিয়ার বানানো জন্য!

.

হঠাৎ পরীক্ষা চলে আসলো! মেয়েটার ও

ছেলেটার কারও চোখে ঘুম নেই। ছেলেটা

রাত দিন মিলে ২০ ঘন্টা কাজ কর্ম করে। বাকি ৪

ঘন্টা সংসারের সব কাজ রান্না থেকে শুরু করে সব

কাজ করে তারপর একটু রেষ্ট নেয়। এভাবে মেয়েটার পরীক্ষা শেষ হয়ে গেল!

এরপর ছেলেটা একটু কাজ কমায়। পরীক্ষার ফলাফলে মেয়েটা পাশ করলো!

ভাল জায়গায় চাকরি পেল, অনেক টাকা পয়সা মালিক

হলো। বড় বাড়ি, গাড়ি আর অনেক কিছু হলো মেয়েটার l

বিভিন্ন জায়গায় থেকে মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়।

কেউ জানে না, তার বিয়ে হয়ছে কিনা বা তার স্বামী

কে?

.

মেয়েটা বড় বাড়ি লাইটিং করে, বড় পার্টি দিয়েছে।

কিন্তু কেউ জানে না কি জন্য এ পার্টির অয়োজন।

সবার একই প্রশ্ন এ কিসের পার্টি। সবাই মিলে মেয়েটিকে প্রশ্ন করলো এ পার্টি কি জন্য বলবেন?

মেয়েটি বলল ১২ টার সময় সবার সামনে বলবো কিসের পার্টি!

.

ছেলেটা সেই লুঙ্গি গামছা আর ছেড়া একটা জামা

গায়ে বাড়ির এক কোনায় দাড়িয়ে আছে!

১২ টা বেজে গেলো, এরপর মেয়েটা

ছেলেটার হাত ধরে যেখানে কেক রাখা

আছে সেখানে নিয়ে এল!

.

সেখানে নিয়ে এসে সবাইকে বললেনঃ-

ভদ্র পুরুষ ও মহিলাগন, একে কেউ চিনেন?

যার মাথার গাম পায়ে ফেলে,

নিজে খেয়ে না খেয়ে আমাকে লেখাপড়া করিয়েছে। তার

জীবনের সব সুখ আমার জন্য বিসর্জন দিয়ে।

এই আমার স্বামী যার সাথে বিয়ের পরও কোন

শারীরিক সম্পর্ক হয় নি আমাদের ! তাকে এই

কাপড়ে রেখেছি, যাতে আপনারা তাকে চিনতে পারেন।

এই বাড়ি, গাড়ি, টাকা, তার গায়ের এক ফোটা ঘামের দামও না!

.

আমি তার স্ত্রী,

আমার যা কিছু আছে তার ১০০

গুন দিলেও আমি আমার স্বামীকে ছেড়ে

কোথাও যাবো না।


এটাই স্বামী স্ত্রীর ভালবাসা।♥😻😻😻

।‌।গল্পটি কেমন হয়েছে কমেন্ট করে জানাবেন//

#স্বামী আর স্ত্রী হাসাহাসি করছিল? ❤❤❤❤❤❤💛💛💛💛💛 . . . . #এক পর্যায়ে স্ত্রী বললো,,, জানেন স্বামী, আজকে পাশের বাড়ীর ভাবি এসেছিলে...


#স্বামী আর স্ত্রী হাসাহাসি করছিল? ❤❤❤❤❤❤💛💛💛💛💛
.
.
.
.
#এক পর্যায়ে স্ত্রী বললো,,,
জানেন স্বামী, আজকে পাশের বাড়ীর ভাবি এসেছিলেন, গা ভর্তি গহনা আর দামী শাড়ী পরে।

#স্ত্রীর কথা শুনে স্বামীর হাসি মুখটা মলিন হয়ে গেল। পৃথিবীর সব কষ্টগুলো যেন স্বামীকে গ্রাস করে ফেললো। স্বামী ভারকান্ত হৃদয় নিয়ে জানতে চাইলো, তিনি কেন এসেছিলেন??
কেন আবার আসবে, ঐসব গহনা আর দামী শাড়ি দেখাতে এসেছিল। কারণ আমাদের তো আর এত টাকা নেই তাই!!
.
#তা তুমি কি বললে ঐসব দেখে??
আমি আবার কি বলবো আমি তো উনার মতন পাগল নই!!
স্বামী স্ত্রীর কথা শুনে অবাক হয়ে বললো পাগল মানে বুঝলাম না। একটু বুঝিয়ে বলো তো।

#শুনুন উনি যে গহনাগুলো পরেছেন তাতো হারাম টাকায় কেনা দুনিয়ার সামান্য গহনা শাড়ি। এই গহনা, শাড়ী একদিন সাপ হয়ে শরীরে জরিয়ে থাকবে, আর একটু পরপর ছোবল মাড়বে। তার বিষাক্ত ছোবল সহ্য করার ক্ষমতা কার আছে বলুন??

আমি দুনিয়ার হারাম টাকায় ভোগ বিলাসিতা করতে চায়না, আমি চাই জান্নাতে আপনাকে নিয়ে জান্নাতের গহনা শাড়ী পরে ভোগ বিলাসীতা করতে। আমি তো সেই দিনের অপেক্ষায় আছি, দুনিয়ার এই সামান্য জিনিষের প্রতি আমার বিন্দু মাত্র মোহ নেই। আর তা ছাড়া আমি তো দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ জিনিষ তো পেয়েছি আর কি চাই বলুন।

#স্বামী আগ্রহ নিয়ে বললো, কি পেয়েছো এত দামী জিনিষ??
স্ত্রী মুচকি হাসি দিয়ে বললো কেন আপনিই তো সেই দামি জিনিষ!! আপনার চাইতে দামি কিছু আর আমার কাছে আছে নাকি!! পৃথিবীর সবকিছু ছাড়তে পারি শুধু আপনার জন্যে।
.
#স্ত্রীর কথা শুনে স্বামী অবাক তো হলোই সাথে খুশীও হলো অসম্ভব। দুচোখের পানি ছেড়ে দিয়ে বললো, জানিনা মালিক তোমায় কোন কাজের বিনিময়ে আমর জীবন সঙ্গী করে দিয়েছেন। সত্যিই আজ আমি খুব গর্বিত তোমার মত স্ত্রী পেয়ে।

#এমন একটা স্ত্রী ভাগ্যের বেপার!

#আল্লাহর ভরসা!

Plzzz #allah এমন একটা বউ এর ব্যাবস্থা করে দিয়েন।।
❤❤❤❤❤❤❤❤

-------------+------+ নেককার বউ -----------+----------+ বিয়ের প্রথম রাতে বউকে জিজ্ঞেস করলাম তুমি আমার কাছে কি চাও? বউ লাজুক মুখে বললো...


-------------+------+ নেককার বউ -----------+----------+

বিয়ের প্রথম রাতে বউকে জিজ্ঞেস করলাম তুমি আমার কাছে কি চাও?
বউ লাজুক মুখে বললো - যা চাই দিবেন তো?
তার হাতে হাত রেখে বললাম-- আমার সাধ্য থাকলে আমি অবশ্যই তোমার চাওয়া পূরন করবো।
তাহলে শুনুন -- আমি আপনার কাছে একটা বরকতময় সংসার চাই।
-- আর কিছু?
-- হুম,দুজনে মিলে এত আমল করতে চাই যে,মৃত্যুর পরেও জেনো আপনার সাথে জান্নাতে থাকার সুযোগ পাই।কারন আল্লাহ পবিত্র
কুরআনে বলেছেন-- স্বামী স্ত্রী দুজনেই নেককার হলে, দুজনে একই জান্নাতে থাকবে।(সূরা যুখরুফ -৭০)
আপনি নেক আমল করতে রাজি আছেন তো?
-- ইনশাআল্লাহ।

-- আর শুনুন আমি সংসারে কোন অশান্তি চাইনা,,তাই আমরা দুজনেই নিয়মিত তাহাজ্জুদের নামাজ পরবো ইনশাআল্লাহ। কারন,যে ঘরে স্বামী স্ত্রী একই সাথে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বে, সেই ঘরে কোনদিন অশান্তি হবেনা।(বুখারি ও মুসলিম)
আর বেশি রাগ করা যাবেনা।। রাসুল (সাঃ)বলেছেন - রাগ মানুষের ইমান কে ধ্বংস করে দেয়।
যদিও কখনো আমার রাগ উঠে তখন আপনি চুপ থাকবেন আর আপনার রাগ উঠলে আমি চুপ থাকবো।

হয়রত উমর (রঃ) বলেছেন -- স্বামী কে রেগে যেতে দেখলে স্ত্রী চুপ থাকবে আর স্ত্রী কে রেগে যেতে দেখলে স্বামী চুপ থাকবে।কারন,পানিই আগুনকে নেভাতে পারে,আগুন কখনো আগুনকে নেভাতে পারেনা বরং আরও বাড়িয়ে দেয়।
কি যা বললাম করবেন তো?
সেদিন তার হাতে হাত রেখে তার কপালে চুমু দিয়ে নেক আমল করার ওয়াদা করেছিলাম,, যা আজও আমরা দুজন প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছি।

অফিসে বসে এসব ভাবছিলাম, এমন সময় স্যার এসে বেতন দিয়ে গেলেন।
প্রতি মাসেই বেতন পেয়ে মা বাবা ভাই বোনের জন্য কিছু কিনে তার জন্যও কিছু কিনে নিয়ে যাই।
আজও অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে তার জন্য একটা নীল শাড়ি,কতগুলা গোলাপ আর বেনী করার জন্য বেলিফুলের মালা নিয়ে এসেছি,সাথে এনেছি তার পছন্দের কিছু চকলেট। কারন বাসায় ফেরার পথে স্ত্রী জন্য কিছু নিয়ে আসা সুন্নত।

বাসার সামনে দাঁড়িয়ে কলিং বেল টিপতেই সে এসে দরজা খুলে দিয়ে আমাকে জরিয়ে ধরলো। প্রতিদিনই এমনটাই করে সে তাই আজও তার ব্যতিক্রম না।
আমার হাতে এসব কিছু দেখে সে বললো -- এত কিছু আনার কি প্রয়োজন ছিল?তোমার হালাল রোজগারের অল্পতেই আমি সন্তুষ্ট।

আমি হেঁসে বললাম -- এমনি এমনি তো আর আনিনি,,রাসুল (সাঃ) বলেছেন -- যে স্বামী তার স্ত্রীর জন্য মন খুলে ব্যায় করবে,কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাকে পুন্যে ধনী বানিয়ে দিবেন................. আমিন