ঊষার আলো

দেশ ও জাতির কল্যানে

আযানে রয়েছে বিস্ময়কর গণিত!! ১.আযান এর প্রথম শব্দ আল্লাহ এবং শেষ ও হইছে আল্লাহ শব্দ দিয়ে।সুতরাং আল্লাহ ই শুরু,এবং আল্লাহ ই শেষ। ২.আযান এ সর্...

আযানে রয়েছে বিস্ময়কর গণিত!!


১.আযান এর প্রথম শব্দ আল্লাহ এবং শেষ ও হইছে আল্লাহ শব্দ দিয়ে।সুতরাং আল্লাহ ই শুরু,এবং আল্লাহ ই শেষ।

২.আযান এ সর্বমোট শব্দ ৫০ টি

এবং মিরাজ এর দিনে,আল্লাহ হজরত মুহাম্মদ (সা) কে ৫০ ওয়াক্ত ফরজ সালাত দিয়েছিলেন।

পরে তা ৫ ওয়াক্ত করা হয়।এবং সহিহ হাদীস মোতাবেক,কেও দৈনিক ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করলে ৫০ ওয়াক্ত সালাত এর সাওয়াব পান।

৩.আযান শব্দটি পবিত্র কুরআন এ বলা আছে ৫ বার এবং আমরা দৈনিক ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করি।

৪.আযান এ মোট ১২টি লাইন আছে।

এবং আমাদের উপর ১২ মাস নামায আদায় করা ফরজ।

৫.আযান এর মধ্যে সর্বমোট ১৭টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে।

আর আমাদের প্রতিদিন এর ফরজ সালাত হলো ১৭ রাকাত।

(ফজর - ২+জোহর - ৪+আসর - ৪+মাগরিব - ৩+এশা -৪ =১৭ রাকাত)

৬.আযান এর মধ্যে সবচেয়ে ব্যাবহৃত শব্দ হচ্ছে আল্লাহ।

আল্লাহ্ শব্দের আলিফ অক্ষরটি সম্পূর্ণ আযান এ রয়েছে ৪৭ বার, লাম অক্ষরটি ৪৫, হা অক্ষরটি ২০ বার।

সুতরাং, ৪৭+৪৫+২০=১১২

আর,পবিত্র কুরআন এর ১১২ নং সূরা তে আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন।

  স্মৃতিময় ফেলানী হত্যা দিবস আজ — ৭ জানুয়ারি ২০১১ বাংলাদেশের সীমান্ত ইতিহাসের এক বেদনাময় অধ্যায়ের নাম ফেলানী খাতুন । আজ ৭ জানুয়ারি, স্...

 স্মৃতিময় ফেলানী হত্যা দিবস আজ — ৭ জানুয়ারি ২০১১

বাংলাদেশের সীমান্ত ইতিহাসের এক বেদনাময় অধ্যায়ের নাম ফেলানী খাতুন। আজ ৭ জানুয়ারি, স্মরণ করা হচ্ছে সেই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড, যা গোটা দেশকে কাঁপিয়ে দিয়েছিল ২০১১ সালে।

সেদিন সকালে ঠান্ডা হাওয়া বইছিল কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে। ভারতের দিকে বিয়ে করতে যাওয়ার পথে মাত্র ১৫ বছরের কিশোরী ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। ঘটনাটি ঘটে বাংলাদেশ-ভারত ৯৪৭ নম্বর সীমান্ত খুঁটির কাছে। সীমান্তের কাঁটাতারে ঝুলে থাকা ফেলানীর নিথর দেহের সেই দৃশ্যটি পরিণত হয়েছিল মানবতার বিবেক নাড়া দেওয়া এক প্রতীকে।

ফেলানীর লাশ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে কাঁটাতারে ঝুলে ছিল। স্থানীয়দের আহাজারি, সীমান্তে জড়ো হওয়া জনতার কান্না—সবই মিলিয়ে সেদিন সীমান্তপারের মানুষ যেন অবিশ্বাসের এক দৃশ্য দেখেছিল। পরে বিএসএফ সদস্যরা লাশ নামিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায়।

এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর দেশজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। মানবাধিকার সংস্থাগুলো, গণমাধ্যম, সাধারণ মানুষ—সবাই একবাক্যে দাবি তোলে, “ফেলানীর জন্য বিচার চাই।” ২০১১ সালের এই হত্যাকাণ্ড সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা ও মানবাধিকারের বিষয়ে নতুন করে প্রশ্ন তোলে।

বছর ঘুরে আজও ৭ জানুয়ারি এলে মানুষ মনে করে সেই নিরীহ কিশোরীকে, যার একমাত্র “অপরাধ” ছিল নিজ দেশে ফিরে আসার চেষ্টায় থাকা। প্রতি বছর এই দিনটিতে কুড়িগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পালন করা হয় “ফেলানী হত্যা দিবস”, নীরব সমাবেশ ও মোমবাতি প্রজ্বলনের মাধ্যমে জানানো হয় শ্রদ্ধা।

আজ ফেলানী নেই, কিন্তু তার মৃত্যু আমাদের মনে করিয়ে দেয়—মানবতার কোনো সীমানা নেই। সীমান্তের কাঁটাতার ছিন্ন করেও তার স্মৃতি অমলিন, তার প্রশ্ন আজও বেজে ওঠে—
“মানবতার বিচার কবে হবে?”

 প্রকৃতির উপহার PRIVACY & CONTENT POLICY · The app doesn't collect any user personal data as, for example, name, picture or location...

 প্রকৃতির উপহার

PRIVACY & CONTENT POLICY

· The app doesn't collect any user personal data as, for example, name, picture or location.

· Consequently, the app doesn't share any personal information with any other entity or third parties.

· Images and Videos entered by the user are sent to the app server in order to be retrieved later by the user himself, and so that the app can offer the functionalities according to its description.

· We don't allow third-party companies to serve ads and collect certain anonymous information when you visit our app. These companies may use anonymous information such as your Google Advertising ID, your device type and version, browsing activity, location and other technical data relating to your device, in order to provide advertisements.

2023

Brigadier General Barak Hiram
2023

আমি বা আমরা কখনো জীবনের মানেটাই জানতে চাইনি, আর এত ব্যস্ত থাকি যে জীবন কী, তা বোঝার চেষ্টাই করিনি।জীবন হলো একটি যাত্রা যার শুরু হয় একটি ছোট্...

জীবন মানে কায়দা করে বেঁচে থাকা

আমি বা আমরা কখনো জীবনের মানেটাই জানতে চাইনি, আর এত ব্যস্ত থাকি যে জীবন কী, তা বোঝার চেষ্টাই করিনি।জীবন হলো একটি যাত্রা যার শুরু হয় একটি ছোট্ট পদক্ষেপ এর মধ্য দিয়ে। তারপর উথান পতন, হাসি কান্না, সফলতা ব্যর্থতা। আর শেষ হয় এক চিরন্তন যাত্রার শুরুর মধ্যে দিয়ে।

জীবন মানে কি যুদ্ধ!

যেদিন থেকে আমি, আপনি পৃথিবীর আলো আঁধার অনুভব করতে শিখেছেন, ঠিক সেই দিন থেকেই পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য লড়াই শুরু করে দিয়েছেন।

জীবনকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত লড়াই করেই বেঁচে থাকতে হয়।

যারা এক আল্লাহ্‌ তে বিশ্বাস করে তাদের কাছে জীবন হচ্ছে এই ইহকালের চলার একটা মৌলিক সত্ত্বা- যার কোন আকৃতি আছে। যা অনুভব করা জায়। এটা বিশ্বাস । জীবন শেষ হয়ে গেলেই- একটা মানুষ কিংবা অন্য কোন জন্তু- বা যার সত্ত্বা আছে তারা নির্জীব হয়ে পরে। এটা আল্লাহ্‌ র তৈরি একটা বেবস্থা মাত্র। যা আল্লাহ্‌ দিয়েছেন- আবার নিয়েও যাবেন।

যারা হিন্দু বা অন্য ধর্মে বিশ্বাস করে - তাদের কাছে অর্থ একি হলেও ব্যাখ্যা আবার ভিন্ন।

  • লেখকের কাছে লেখাই তো জীবনের মানে
  • আর্টিস্ট এর কাছে রং আর তুলিই তো জীবন
  • ধর্মীয় চর্চাই হয়তো জীবন কারো কাছে
  • টিন এইজ কারো কাছে খ্যাতির বিড়ম্বনাই সব
  • নতুন কিছু শিখতে থাকা হয়তো কারো কাছে জীবন
  • ডিপ্রেশনে ভোগা কারো কাছে জীবনের মানে হয়তো অর্থহীন
  • কারো কাছে জীবন এর সংজ্ঞা ‘W’ এর মতো।কখনো উপরে উঠবে কখনো নিচে নামবে
  • কার জুতো পায়ে দিয়ে এ ধরিত্রী তে জীবনের মানে খুঁজছেন তাই মুখ্য।

জীবন মানে যেন বিশাল জলরাশিতে ভাসমান এক তরী। হেলে-দুলে চলতে থাকে। চলতে চলতে দেখা হয় বিশাল কোন ঢেউয়ের সাথে, তার সাথে যেন তার একারই যুদ্ধ!

আবার জীবন মানে যেন একটা আঁকাবাঁকা নদী, বয়ে চলে তার নিজ ছন্দে। পাহাড় পেড়িয়ে, জনপদ পেড়িয়ে যেন তার অবিরাম ছুটে চলা। চলার পথে ডিঙিয়ে যায় সবকিছু!

আবার জীবন মানে যেন একটা জীবন্ত বৃক্ষ। যে ত্যাগ করতে শিখায়। দোঁরের কাছে দাড়িয়ে সে নিশ্চুপ ছায়া দিয়ে যায়, বিলিয়ে যায় একটু শান্তি!

জীবন মানে আসলে কি!

জীবন মানে কায়দা করে বেঁচে থাকা, কখনো ত্যাগ, কখনো একটু ভালোবাসা, কখনো একটা ঝড়ো হাওয়া, আবার বহু কষ্টে সেটাকে কাটিয়ে ওঠা, তারপরে একটা সাফল্যের দেখা, সবশেষে সেই স্রষ্টার কাছে ফিরে আসা। তারজন্যেই তো সবকিছু!

মুসলিম বণিকদের কাছে ছিল প্রচুর সম্পদ। এই সম্পদই তাদের জন্য কাল হয়ে দাড়ালো। তিয়ান শেনং এর বাহিনী সম্পদের লোভে বণিকপাড়ায় নির্বিচারে গণহত্যা চা...

Cultural terrorist group


মুসলিম বণিকদের কাছে ছিল প্রচুর সম্পদ। এই সম্পদই তাদের জন্য কাল হয়ে দাড়ালো। তিয়ান শেনং এর বাহিনী সম্পদের লোভে বণিকপাড়ায় নির্বিচারে গণহত্যা চালালো। এক দিনে শহীদ হলেন হাজারে হাজারে মুসলিম ব্যাবসায়ী।